মেইন ম্যেনু

আমাকে এসে ও বলছিলো কী করবো? আমি বলেছি পাইলে তুই মেরে দে…

২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল দুই রানে। সেদিন শেষ অবধি ব্যাটিং করেও বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তবে চার বছর পর মিরপুরে রিয়াদের ব্যাটে চেপে ৫ উইকেটে পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচে রিয়াদ অপরাজিত ২২ রান করে বাংলাদেশের জয়ের পেছনে বড় অবদান রেখেছেন বলে মনে করছেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

সাকিব আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ দল দারুণ চাপে পড়ে যায়। এ সময় উইকেটে আসেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ক্রিজে ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। উইকেটে গিয়ে রিয়াদকে দেখে আরো আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এমনকি একটু আগে মোহাম্মাদ আমিরের বলে সাকিব সাজঘরে ফিরে গেলেও সেই আমিরের বলে পরপর দুটি বাউন্ডারি হাঁকান মাশরাফি। যাতে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘দুইটা চার হওয়ার পর রিয়াদ বলছিলো আমি চান্স নিবো কিনা। আমি আসলে ওর উপর কোন ডাউন ক্রিয়েট করতে চাইনি। আমি বলছিলাম মেক্সিমাম যতটুকু তুই পারিস কর। কারন খারাপ বলতো খারাপ বলই।’

এ বিষয়ে মাশরাফি আরো বলেন, ‘যদি মনে করিস খারাপ বল তাহলে সুযোগ নিস। আমি চেয়েছিলাম ও যেন আউট না হয়। ওই সময় বারো বলে ১৮ রান প্রয়োজন ছিলো। ও যদি আউট হতো মিঠুন নতুন ব্যাটসম্যান একটু কষ্ট হতো। আমি আসলে দুই রকমের সিদ্ধান্তেই ছিলাম। তবে রিয়াদ দারুণভাবে এ ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছে।’

২০১২ সালে না পারায় রিয়াদকে দিয়ে এদিন উইনিং শট মারাতে চেয়েছিলেন মাশরাফি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘২০১২ সালে এশিয়া কাপে দলকে জেতাতে পারেনি রিয়াদ। তাই আমি আজ (বুধবার) চাচ্ছিলাম উইনিং শটটা ওর হাত দিয়ে আসুক। আমাকে এসে ও বলছিলো কী করবো। আমি বলেছি পাইলে তুই মেরে দে। ড্রেসিংরুমে একটা কথা বলেছিলো। একই পরিস্থিতি হলে এবার কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে মারবো। হয়তোবা আজ ওর এই কথাটা বারবার মনে পড়েছে।’