মেইন ম্যেনু

আমি একটা ছেলেকে চড় মেরেছিলাম : শ্রাবন্তী

সব নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। ছোটবেলায় দুর্গাপূজা কেটেছে আর পাঁচটা মেয়ের মতোই৷ বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখা। পাড়ার মণ্ডপে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, হই হুল্লোর করেই কাটতো পাঁচদিন ৷ সেই সোনালি দিনগুলো এখন ঢাকা পড়ে রূপালি পর্দার আড়ালে৷ খানিকটা আক্ষেপের সঙ্গেই এমন সব কথা জানালেন টলিউডের ব্যস্ত নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়৷

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বললেন, মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে ঠাকুর দেখতে আমার খুব ভালো লাগে৷ ছোট বেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে, কোচিংয়ের বন্ধুদের সঙ্গে প্রচুর ঠাকুর দেখতাম৷ সকাল বেলাতেই সেজেগুজে মণ্ডপে বসে পড়তাম৷

সারাদিন পাড়ার বন্ধুরা চুটিয়ে আড্ডা দিতাম৷ আর সব থেকে মজার বিষয় হলো পূজার ক’টাদিন আমি অনেক প্রোপোজাল পেতাম৷ মনে আছে, একবার একটা ছেলেকে পাড়ার মণ্ডপে চড় মেরেছিলাম৷

আমার ভাসানে নাচতে খুব ভালো লাগত৷ আমার এখনো মনে আছে সেদিনটার কথা৷ তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি৷ সে বছর ভাসানে নাচতে নাচতে ড্রেনের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম৷ সব লোকজন তখন ঠাকুর ভাসান দেবে কি! সবকিছু ছেড়ে তখন সবাই আমাকে তুলতে ব্যস্ত৷

এখন সত্যিই এগুলো তার কাছে ফ্ল্যাশব্যাকের মতো৷ কারণ কয়েকটা পূজা উদ্বোধন ছাড়া এখন শ্রাবন্তীর পূজার বাকি দিনগুলো কাটে কমপাউন্ডের চারটে বাউন্ডারির মধ্যে৷ স্বাধীনভাবে ঘুরে ঠাকুর দেখার জো নেই৷

কারণ তিনি এখন সেলিব্রিটি৷ ভক্তদের মাঝে পড়ে গেলে ঠাকুর দেখা আবার পরের বছরের জন্য তুলে রাখতে হবে তাকে৷ শ্রাবন্তী বললেন, খুব ইচ্ছে করে আগের মতো ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখতে৷ কিন্তু কি করব? কোনো উপায় নেই৷ তবে আমাদের কমপাউন্ডে পূজা হয়৷

আমরা সবাই মিলে খুব আনন্দ করি৷ প্রতিদিনই কমপাউন্ডের সব লোকজন মিলে খাওয়া-দাওয়া হয়৷ আমি খেতে খুব ভালোবাসি৷ নবমীর দিন বাড়িতে আমি রান্না করি৷

তবে একটাই কন্ডিশন, আমি যদি রান্না করি তাহলে খাওয়ার পর সবাইকে ভালো বলতে হবে৷ এছাড়াও আমার কাজের জগতের বন্ধুদের সঙ্গেও আমি একটা দিন আড্ডা দিই৷ কখনও ওদের বাড়িতে যাই৷ কখনও বা ওরা আমার বাড়িতে আসে৷

শ্রাবন্তী বলেন, মাঝে মাঝে আমি খুব ডিপ্রেসড হয়ে পড়ি৷ তখন মনে হয়, একটু বেড়াতে গেলে ভালো হয়৷ এবছর ভাবছি, পূজায় যখন ঠাকুর দেখতে পারি না তাহলে একটু কোথা থেকে সপরিবারে বেড়িয়ে আসি৷ এখনো অবশ্য ঠিক করিনি কিছু৷

আমার একা একা কেনাকাটা করতে একদম ভালো লাগে না৷ সঙ্গে কাউকে চাই৷ সেইসঙ্গে তিনি এটাও জানালেন, ট্র্যাডিশনাল পোশাকই পছন্দ৷