মেইন ম্যেনু

আমি ষড়যন্ত্রের শিকার : মমতা কুলকার্নি

এক সময় বলিউড দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। কিন্তু এখন তার নাম উঠেছে নেশাদ্রব্য পাচার মামলায়। বলিউডের সাবেক ডিভা মমতা কুলকার্নির দাবি তিনি যোগিনী এবং নির্দোষ। বর্তমানে কেনিয়ার মোম্বাসাতে রয়েছেন তিনি। সেখান থেকে এক ভিডিও টেপ বার্তায় মমতা কুলকার্নি বলেছেন, ‘আমি একজন যোগিনী। গত ২০ বছর ধরে আমি আধ্যাত্মিক জগত নিয়েই রয়েছি। তাই আমি নির্দোষ। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তাতে আমি আহত’।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর কাছে চিঠি লিখে তাকে নেশাদ্রব্য পাচার মামলায় টেনে আনার জন্য মহারাষ্ট্র পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কাছে পাঠানো বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আমি কখনই ভারতীয় আইনের অবমাননা করিনি। আমাকে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও থানা পুলিশের ষড়যন্ত্রের শিকার করা হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যমের সামনে ভিডিও টেপ প্রকাশের সময় হাজির ছিলেন মমতা কুলকার্নির আইনি পরামর্শদাতা পারজেজ মেনন, নিউইয়র্কের ড্যানিয়েল আরশাক, কেনিয়ার ক্লিফ আম্বেটা, সুদীপ পাসবোলা এবং সাবেক রাজ্যসভা সদস্য মজিদ মেমন। আইনজীবীদের বক্তব্য, কোনো প্রমাণ ছাড়াই মমতা কুলকার্নিকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। তারা বলেন, এই মামলার এক অভিযুক্ত জয় মুখী ইতিমধ্যেই তার বয়ান থেকে পিছু হঠেছেন। মেমনের দাবি, মামলার সাক্ষ্য খুবই দুর্বল এবং বিচারের পর্যায়েও যাবে না।

উল্লেখ্য, গত বছর ১৮ জুন থানে পুলিশ ২ হাজার কোটি টাকার নেশাদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করার পর এই মামলায় নাম উঠে আসে মমতা কুলকার্নির। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত মমতা কুলকার্নির স্বামী তথা ব্যবসায়িক অংশীদার ভিকি গোস্বামী। থানে পুলিশ এই ঘটনায় সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হয় এবং মমতা কুলকার্নি ও ভিকি গোস্বামীর বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ জারি করায়। পুলিশের দাবি, এই নেশাদ্রব্য পাচার চক্রে মেক্সিকো ও কলম্বিয়ার নেশাদ্রব্য পাচারকারীরাও যুক্ত।-এবিপি আনন্দ