মেইন ম্যেনু

আমোদ-ফুর্তিতে ছুটি কাটাচ্ছেন রোনালদো

এমন একটি শিরোপা জয়ের পর কে না আমোদ করবে না! যে পর্তুগালকে কোনো শিরোপা উপহার দিতে পারেননি ইউসেবিও, লুই ফিগো- সেই দেশটিকে প্রথমবারের মতো বড় কোনো শিরোপা, ইউরো উপহার দেয়ার পর তো এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি মানুষ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। গত একযুগ ধরে নিজের পতাকা ওড়াচ্ছেন। কিন্তু তার গণ্ডি ছিল শুধুমাত্র ক্লাবের চার দেয়ালে বন্দী। এবার সেখান থেকে বেরিয়ে রোনালদো নিজের ডানা মেলেছেন বিশ্বের আকাশে।

সুতরাং, এখন নিরবচ্ছিন্ন ছুটি আর আমোদ-ফুর্তিতে মেতে ওঠার সময়। এখন ছুটির নেশায় বুঁদ হয়ে রয়েছেন তিনি। ফুটবল মাঠের লড়াই, হাড়ভাঙা খাঁটুনি, একটার পর একটা ম্যাচ খেলার টেনশন, চোট-আঘাত আপাতত সব বাক্সবন্দী! মন চেয়েছে, হারিয়ে যাবো। আপাতত এটাই স্লোগান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর।

সপরিবারে ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছেন তিনি। সারা বছর পরিশ্রমের পর, এই বিশ্রাম, এই ছুটি সবারই দরকার। রোনালদো ছুটির প্রতিটি মুহূর্ত যে উপভোগ করছেন, ছবি দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। স্পেনের ইবিজা সৈকতে ব্যক্তিগত বিলাশবহুল প্রমোদতরীতে কখনো রোনালদোকে দেখা যাচ্ছে ডেকে বসে সানবাথ নিচ্ছেন। আবার কখনো সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটছেন।

কখনো দেখা গেছে জুনিয়রকে গোসল করাচ্ছেন। বেড়াতে বেরিয়েও যে ছেলের খেয়াল নিজেই রাখছেন, তা সিআরসেভেনকে দেখেই বোঝা গেছে। সঙ্গে রয়েছেন মা ডেলোরাস। ছিলেন পরিবারের আরো কয়েকজন।

বছরের অন্য সময় ক্লাব ফুটবল নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে, পরিজনেদের সময় দিতে পারেন না। তবে সে আক্ষেপ এখন মিটিয়ে দিচ্ছেন রোনালদো। মাঠের আক্রমণাত্মক মেজাজ, অহং সব ঝেড়ে ফেলে এখন তিনি শুধুই পরিবারের একজন। ডেলোরাসের ছেলে, জুনিয়রের বাবা হয়েই এখন সুখি তিনি।