মেইন ম্যেনু

আরাফাত সানীর জামিন শুনানি দুপুরে

ক্রিকেটার আরাফাত সানীর বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় জামিন শুনানি হবে আজ।

বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে বুধবার দুপুর ২টায় এ জামিন শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন সানীর আইনজীবী এম জুয়েল আহমেদ। এদিন আরাফাত সানীকে আদালতে হাজির করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গত ৯ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় এক মাসের জামিন পান আরাফাত সানী। তবে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় কারাগারে আটক থাকায় কারামুক্ত হতে পারেননি আরাফাত সানী। বুধবার এই মামলায় জামিন পেলে তার কারামুক্তিতে বাধা থাকবে না বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন। তবে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আরাফাত সানীর জামিন নাকচ করে দেন একই আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, প্রায় ৭ বছর আগে পরিচয়ের সূত্রে আরাফাত সানীর সঙ্গে নাসরিন সুলতানা নামে এক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। অভিভাবকদের না জানিয়ে ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। নাসরিন সুলতানা বিভিন্ন সময়ে বিয়ের বিষয়টি অভিভাবকদের জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ঘরে তুলে নেওয়ার জন্য আরাফাত সানীকে তাগিদ দেন। কিন্তু আরাফাত সানী তার কথা না শুনে ভয়ভীতি দেখান। গত বছর ১২ জুন রাতে আরাফাত সানী নাসরিন সুলতানার নাম এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে ওই আইডি থেকে নাসরিন সুলতানার আসল আইডিতে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি পাঠান। এ ছাড়া নানা রকম হুমকি দিতে থাকেন তিনি।

ওই ঘটনায় নাসরিন সুলতানা গত ৫ জানুয়ারি আরাফাত সানীর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করেন।

ওই মামলায় গত ২২ জানুয়ারি আরাফাত সানীকে আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন তার এক দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করেন আদালত। ২৪ জানুয়ারি রিমান্ড শেষে আরাফাত সানীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এরপর থেকে কারাগারেই আছেন আরাফাত সানী।

এদিকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় রিমান্ড চলাকালে আরাফাত সানীর বিরুদ্ধে ২৩ জানুয়ারি যৌতুক আইনের ৪ ধারায় আরেকটি মামলা করেন নাসরিন সুলতানা। ওই মামলায় আরাফাত সানীকে আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত।

এরপর গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এস এম রেজানুর রহমানের আদালতে আরো একটি মামলা করে নাসরিন সুলতানা। ওই দিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর মামলার অভিযোগ মোহাম্মাদপুর থানাকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দীন মীর মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতে (সিএমএম) নথি পাঠান। এরপর আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ মামলায় আরাফাত সানীর মা নার্গিস আক্তারও আসামি।