মেইন ম্যেনু

আরামদায়ক শেভ করার উপায়

দাড়ি কাটার উপযুক্ত নিয়ম খুব সহজে বলা কঠিন। শেভ করার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই সেলুন বেছে নেন। তবে সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে নিজের শেভ করার সরঞ্জামাদি দিয়ে শেভ করা ভালো। এক্ষেত্রে নিজে শেভ করতে গিয়ে কখনো দাড়ির বিপরীতমুখী টান দিয়ে ত্বক কেটে ফেলেন। শেভ করা ভালো না হলে মুখের ত্বক খসখসে বা দাড়ি বেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে। কারো মুখে র‌্যাশ অথবা ব্রণের উৎপাত দেখা দেয়। কারো কারো মুখে জ্বলুনিও হতে পারে। এসব সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দরকার আরামদায়ক শেভ করা। তাই..

– দাড়ির বিপরীতমুখী শেভ না করে শুরুতে দাড়ির দিক অনুযায়ী করুন। ব্লেড যাতে বেশি পুরোনো বা বিরক্তিকর না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

– রেজর কতদিন বা কতবার ব্যবহার করা হচ্ছে সে অনুযায়ী এর মেয়াদ নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ সূত্র হচ্ছে রেজর যদি মুখে দাগ কাটতে শুরু করে এবং প্রথম ব্যবহারের মতো দাড়ি কাটতে না পারে তবে ব্লেড বদলে ফেলতে হবে।

– শেভের পর মুখে আফটার শেভ হিসেবে ময়েশ্চারাইজার বাই রিহাইড্রেট কোনো কিছু ব্যবহার করুন। আফটার শেভের পণ্যগুলোতে অ্যালকোহল থাকে যা অ্যাস্ট্রিজেন্ট বা চোষক হিসেবে কাজ করে। এতে ত্বকে সংক্রমণ হয় না।

– অনেক সময় দাড়ি বেশি বড় হয়ে যায়। তখন সাধারণ রেজার দিয়ে এক টানে শেভ করা সম্ভব হয় না। বারবার একই জায়গায় রেজার দিয়ে শেভ করার চেষ্টা করলে ত্বক কুচকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক রেজার দিয়ে আগে দাড়ি ছোট করে নিতে পারেন। পরে মুখে শেভিং ফোম লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর রেজার দিয়ে শেভ করে ফেলুন। দেখবেন, এভাবে শেভ করার পর আপনার ত্বক মসৃণ হবে।

– অনেকেই শেভ করার আগে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করেন না। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো গোসল করার পর শেভ করা। গোসল করার সময় দুই মিনিট শাওয়ারের নিচে মুখ ভেজানোর জন্য দাঁড়িয়ে থাকুন। এতে দাড়ি অনেক নরম হয়ে যাবে এবং মসৃণভাবে শেভ করতে পারবেন। না হলে শেভ করার পর ত্বক রুক্ষ্ম হয়ে যেতে পারে।

– একটি পরিষ্কার তোয়ালে উষ্ণ পানিতে ভিজিয়ে মুখের ওপর রেখে দিন। এতে আপনার ত্বকের লোমকূপের মুখ খুলে যাবে এবং দাড়ি নরম হয়ে যাবে। এরপর শেভ করলে আপনার মুখের ময়লাও দূর হবে এবং আপনি পরিষ্কার ত্বক পাবেন।

– অনেকেই মুখে কম শেভিং ক্রিম বা ফোম ব্যবহার করেন। এতে শেভ করার পর মুখের ত্বকে জ্বালাপোড়া হয় এবং চুলকানি হয়। কম শেভিং ফোম ব্যবহারের কারণে দাড়ি নরম হয় না। মনে রাখবেন, রেজারের ব্লেড ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকর। তাই কম শেভিং ফোম দিয়ে শেভ করলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকে। আর ভালো মানের শেভিং ফোম ত্বকের ক্ষতি হতে দেয় না। বরং ত্বককে আরও নরম ও উজ্জ্বল করে।