মেইন ম্যেনু

আশুলিয়ার ‘জঙ্গিদের’ আত্মসমর্পণ করানোর চেষ্টা চলছে : র‍্যাব

ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে যে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে, সেখানকার বাসিন্দাদের আত্মসমর্পণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

যদিও সেই বাড়ি থেকে মুহুর্মুহু গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে র‍্যাবের অভিযানের মুখে ভেতর থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে বাড়ির বাসিন্দারা। তবু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়ির ভেতরে থাকা বাসিন্দাদের আত্মসমর্পণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আশুলিয়ার নয়ারহাট চৌরাবালি এলাকার ওই বাড়ি ঘিরে ফেলেন র‌্যাব সদস্যরা। বাড়িটির মালিক ইব্রাহিম নামের এক ব্যক্তি।

আজ রোববার সকালে সাংবাদিকদের র‍্যাব কর্মকর্তা মুফতি মাহমুদ খান জানান, বাড়িটির চারপাশে র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ভেতর থেকে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করা হয়। বোমাও ছোড়া হয়।

‘বাড়ির ভেতরে থাকা বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে বাড়িটি ঘিরে আরো শক্ত অবস্থান নেন র‌্যাব সদস্যরা। এ সময় হ্যান্ডমাইকে বাড়িটির ভেতরে থাকা বাসিন্দাদের নিরস্ত্র হতে বলা হয়। তাদের আত্মসমর্পণেরও আহ্বান জানানো হয়।’

তবে তাতে কর্ণপাত না করে জঙ্গিরা ভোরের দিকে র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে দুটি গুলি করে। এ সময় বোমার বিস্ফোরণও ফাটানো হয় বলে জানান র‍্যাব কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সার্বিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যারা ভেতরে আছে, আমাদের ধারণা, একাধিক জঙ্গি সেখানে আছে। তাদের আত্মসমর্পণ করানোর প্রক্রিয়া আমরা বেশ কিছু আগেই শুরু করেছি। এবং সেটা এখনো অব্যাহত আছে।’

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘বোম ডিসপোজাল ইউনিটসহ অন্যরা ঘটনাস্থলে আসছে। তারা এলে চূড়ান্ত অভিযান শুরু হবে। আমরা সার্বিকভাবে চেষ্টা করব সারেন্ডার করানো যায়, তারা যেন আত্মসমর্পণ করে। সে প্রক্রিয়াটাই এখনো চলছে।’

এ ঘটনায় ওই বাড়ির মালিক ইব্রাহিমকে আটক করা হয়েছে।

বাড়ির মালিকের বরাত দিয়ে মুফতি মাহমুদ জানান, আজাদ নামের এক ব্যক্তি তৈরি পোশাক শ্রমিক পরিচয় দিয়ে দুই মাস আগে বাড়িটি ভাড়া নেন।

অভিযানের শুরুতেই বাড়িটির আশপাশ থেকে অন্য বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অতীতে দেখা গেছে, জঙ্গিরা এ সময়ে বোমা ও গুলি ছোড়ে। সে জন্যই জানমালের নিরাপত্তায় বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

রাত ৩টার দিকে প্রথম বাড়ির ভেতর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণও ঘটানো হয়। সকালেও একইভাবে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এখনো গুলি হচ্ছে বলে জানান মুফতি মাহমুদ খান।






মন্তব্য চালু নেই