মেইন ম্যেনু

আ.লীগে আসতে পারে ডজন খানেক নতুন মুখ

আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলনের নেতৃত্বে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব কম। তবে কেন্দ্রীয় কমিটির আকার বাড়াবে বলে দলে যোগ হতে পারেন ডজন খানেক নতুন মুখ।

দলের উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, দু-তিনটি সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিলিয়ে প্রায় ডজনখানেক পদে নতুন মুখ আসতে পারে। আর এ জন্য বেছে নেয়া হচ্ছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের। তবে প্রাধান্য দেয়া হবে দলের জন্য কাজ করেছেন এমন ত্যাগীদের।

বর্তমান গঠনতন্ত্র অনুসারে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ রয়েছে সাতটি। তবে আগামী সম্মেলনে ময়মনসিংহ বিভাগে একজন সাংগঠনিক সম্পাদক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। পরে ফরিদপুর ও কুমিল্লা নতুন বিভাগ হলে আরও দুটি সাংগঠনিক পদ সৃষ্টির সুযোগ সম্মেলনে রাখা হবে বলে সূত্রে জানা গেছে।

দলের নানা স্তরে কথা বলে বিভিন্ন বিভাগের জন্য সাংগঠনিক সম্পাদক পদে একাধিক নতুন নেতার নাম জানা গেছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগ থেকে নতুন মুখ উঠে আসতে পারেন সাবেক ছাত্রনেতা শাহে আলম, ইসহাক আলী খান পান্না, পংকজ দেবনাথ, খলিলুর রহমান খলিল।

খুলনা বিভাগে নতুন মুখের মধ্যে আলোচনায় আছেন বীরেন শিকদার, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাইফুজ্জামান শিখর, আব্দুল মজিদ।

চট্টগ্রাম বিভাগে মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, শাহজাদা মহিউদ্দিন, চট্টগ্রামের আতাউর রহমান কায়সারের পরিবারের কেউ, সীমান্ত তালুকদার।

রাজশাহী বিভাগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ইসরাফিল আলম, হাসান কবির আরিফ, কোহেলি কুদ্দুস মুক্তি, উমা চৌধুরী।

রংপুর বিভাগে মাহবুবা আরা বেগম গিনি, রাশেক রহমান, মাহমুদ হাসান রিপন, নুরুল ইসলাম সুজন।

ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুল হক শাকিল, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন, মারুফা আক্তার পপি।

নতুন বিভাগ হলে ফরিদপুর বিভাগ থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতিতে নতুন মুখ উঠে আসতে পারে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বাহালুল মজনুন চুন্নু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাউসার, ইকবাল হোসেন অপু, বাহাদুর বেপারি, নাহিম রাজ্জাক, আনোয়ার হোসেন, শাহাবউদ্দিন ফরাজী।

কুমিল্লা বিভাগের আলোচনায় আছেন জহির উদ্দিন মোহাম্মদ লিপ্টন, শিক্ষক নেতা শাহজাহান আলম সাজু।

ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে আসতে পারেন ঢাকা মহানগরের কোনো তরুণ এমপি। অন্য কোনো বিভাগের কাউকেও দেয়া হতে পারে ঢাকার দায়িত্ব। তবে এ বিভাগে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর নাম বেশ আলোচনায় রয়েছে।

কার্যনির্বাহী পদে আলোচনায় আছেন জাহিদ আহসান রাসেল, মনিরুজ্জামান মনির।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এবার যোগ হতে পারেন বেশ কয়েকজন নারী নেত্রী। অতীতে যারা দলের জন্য অবদান রেখেছেন তাদেরই বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

যে নারীনেত্রীরা আলোচনায় আছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন সেগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মেহের আফরোজ চুমকি, তারানা হালিম, নুরজাহান বেগম মুক্তা, ওয়াসিকা আয়শা খান, উমা চৌধুরী, নাজমা আক্তার, আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী প্রমুখ।