মেইন ম্যেনু

আ.লীগ খালেদাকে ভয় পায় বলেই মিথ্যা মামলা

বিএনপি চেয়ারপারসর বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে তা মিথ্যা বলে অবহিত করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার দাবি, আওয়ামী লীগ খালেদা জিয়াকে ভয় পায় বলেই তার বিরুদ্ধে এ মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১০টি মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, ‘গত ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে দেশনেত্রী যে বক্তব্য প্রদান করেন তার একটি ক্ষুদ্র অংশের বিকৃত ব্যাখ্যা করে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।’

প্রসঙ্গত, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করার অভিযোগে গতকাল সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী। তার আগেরদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মামলাটি দায়ের করার অনুমতি প্রদান করে।

এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ বিষয় নিয়ে ক্ষমতাসীন মহলের কিছু সংখ্যক তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও নেতা যখন বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখনই আমরা এক বিবৃতির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘তার (খালেদা জিয়ার) ২১ ডিসেম্বর প্রদত্ত বক্তব্যের কোথাও রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হতে পারে এমন কোনো বক্তব্যের লেশমাত্র নেই। এ বিষয়ে দেশের বরেণ্য ব্যক্তিরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন সময়ে তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন যে, তার বক্তব্যে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হতে পারে এমন কোনো অংশ নেই।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আবারো অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে স্পষ্টভাবে বলতে চাই- এই মামলা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করবার জন্য হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ১০টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্নীতির মামলা, নাশকতা মামলা সর্বশেষে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দায়ের করে প্রমাণ করেছে যে, আওয়ামী লীগ দেশনেত্রীকে ভয় পায় এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে না পেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চায়।’