মেইন ম্যেনু

ইউরো ফাইনাল রাতে: পর্তুগাল না ফ্রান্স, শেষ হাসি কার?

ইউরো কাপের শিরোপার লড়াইয়ে আজ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের বিপক্ষে মাঠে নামছে স্বাগতিক ফ্রান্স। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সাঁ দেনি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। সরাসরি দেখাবে ইএসপিএন।

পরিসংখ্যান এগিয়ে রাখছে ফরাসিদের। এখন পর্যন্ত পর্তুগালের সঙ্গে ২৪ বারের দেখায় ফ্রান্সের জয় ১৮টি ম্যাচ। বিপরীতে মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে পর্তুগীজরা। এছাড়া ড্র হয়েছে বাকী ৫ ম্যাচ। সর্বশেষ দেখায়ও বেশ এগিয়ে ফ্রান্স। শেষ দশটি ম্যাচে পর্তুগালকে প্রতিবারই হারিয়েছে গ্রিজম্যানরা।

তারপরও দারুণ পারফরম্যান্স দিয়েই ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগালে। সেমিতে ওয়েলসকে হারানোর পথে নিজের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছেন ‘সিআর সেভেন।’ অন্যদিকে ইউরো যত সামনে এগোচ্ছে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে ছয় গোল করে সামনে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গ্রিজম্যান।

এই ম্যাচে ফরাসিদের মধ্যে সবার নজরে থাকবে মাঝমাঠের কারিগর পল পগবা, ব্লেইস মাতুইদির দিকে। আর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে উপড়ে ফেলার কাজটি করবেন অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যানের সঙ্গে অলিভার জিরুদ ও দিমিত্রি পায়েত। দলের রক্ষণভাগ আগলে রাখার দায়িত্বটা রাফায়েল ভারানে আর লরেন্ট কোসচিলিনির কাঁধেই ন্যস্ত হতে পারে।

অপরপ্রান্তে পর্তুগীজদের মূল ভরসা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাঁকে সঙ্গ দিবেন নানি। মাঝমাঠের আধিপত্যটা থাকবে উইলিয়াম কারভালহোর পাশাপাশি আন্দ্রে গোমেজ ও রেনাতো সানচেজের ওপর। দলের রক্ষণভাগটা আটকে রাখবেন রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগীজ ডিফেন্ডার পেপে। সঙ্গে রয়েছেন ভিয়েইরিনহা, জোসে ফন্তে ও রিকার্ডো কারভালহোর মতো অভিজ্ঞ তারকারা।

সবমিলিয়ে সাঁ দেনিতে আজ আগুন লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে আছে ফুটবলিবিশ্ব। সেক্ষেত্রে পর্তুগীজদের প্রাণভোমরা রোনালদো তো রীতিমত ফ্রান্সকে সমীহ করছেন। পর্তুগীজ সুপারস্টার বলেছেন, ‘ফ্রান্স আমাদের চেয়ে কিঞ্চিত ফেভারিট। কিন্তু জিতব আমরাই।’

পর্তুগাল শিরোপা জেতার দাবিদার এমনটি উল্লেখ করে রোনালদো বলেন, ‘আমরা অসাধারণ একটা দল পেয়েছি। কোচও আমাদের দারুণ। আমি মনে করছি, শিরোপা জেতার দাবি রাখে পর্তুগাল।’

এদিকে ছন্দে ফেরা পর্তুগালকে নিয়ে বেশ সতর্ক ফরাসিরাও। দলের অন্যতম সেরা ফুটবলার আন্তোনিও গ্রিজম্যান বলেছেন, ‘ফাইনাল নিয়েই ভাবছি। পর্তুগালের বিপক্ষে আমাদের সম্ভাবনা সমানে সমান। ফাইনালে যে কোনো কিছুই ঘটতে পারে। তবে আমাদের সতর্ক থাকা জরুরি।’

এতসব হিসেব নিকেশকে পেছনে পেলে রোনালদোরা কি পারবে প্রথমবারের মতো পর্তুগালকে স্বপ্নের শিরোপা এনে দিতে? নাকি তৃতীয়বারের মতো ইউরোর মুকুট ঘরে তুলবে গ্রিজম্যানের ফ্রান্স। উত্তরটা তোলা রইল!