মেইন ম্যেনু

ইকুয়েডরকে হারিয়ে কোপার সেমিতে যুক্তরাষ্ট্র

ঘরের মাঠে বসেছে শতবর্ষী কোপা আমেরিকার আসর। যুক্তরাষ্ট্রও আদায় করে নিচ্ছে সেই সুবিধা। চলমান আসরে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে স্বাগতিকরা। শুক্রবার সকালে (বাংলাদেশ সময়) ইকুয়েডরকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে কোপার সেমিফাইনালের খেলা নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

শেষ চারের খেলায় তারা মুখোমুখি হবে ১৯ জুন মাঠে গড়ানো আর্জেন্টিনা ও ভেনেজুয়েলার মধ্যকার জয়ী দলের। শক্তির বিচারে আপাতদৃষ্টিতে সেমির লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র!

ওয়াশিংটনের সেঞ্চুরি লিংক ফিল্ডে ম্যাচের শুরু থেকে লাগামটা যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই ছিল। দলের প্রাণভোমরা ক্লিন্ট ডেম্পসিও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। বারবার আক্রমণ শানান ইকুয়েডরের দুর্গে। খেলার পাঁচ মিনিটে ডেম্পসিকে গোলবঞ্চিত করেন সফরকারী দলের গোলরক্ষক আলেক্সান্ডার ডোমিনগুয়েজ।

ম্যাচের ২২ মিনিটে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডারদের জটলায় বল নিয়ে খানিকটা থমকে দাঁড়ান ববি উড। পরক্ষণেই তা ঠেলে দেন জার্মেই জোন্সের দিকে। তিনি বলটি উড়িয়ে দেন ডেম্পসিকে। দুর্দান্ত এক হেডে ইকুয়েডরের জাল কাঁপান যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণভোমরা (১-০)।

৫৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য হতাশার রাজ্যে প্রবেশ করে। এ সময়ে ইকুয়েডরের ফরোয়ার্ড অ্যান্টোনিও ভ্যালেন্সিয়াকে বাজেভাবে ট্যাকেল করতে গিয়ে লাল কার্ড (দুটি হলুদ কার্ড মিলে) দেখে মাঠ ছাড়েন জার্মেই জোন্স। এরপর দশ জনের দলে পরিণত হওয়া স্বাগতিক শিবির অবশ্য ঘাবড়ে যায়নি।

খেলার ৬৫ মিনিটে ফের ইকুয়েডরের রক্ষণদুর্গে আঘাত হানেন ডেম্পসি। নিজে ঝুকি না নিয়ে বল ঠেলে দেন অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা গায়াসি জার্ডেসের দিকে। পায়ের আলতো ছোঁয়ায় বলটি ইকুয়েডরের জালে জড়িয়ে দেন গ্যালাক্সির এই তারকা ফুটবলার। তখন যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে ২-০ গোলে।

৭৪তম মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের কোচ ক্লিন্সম্যানের হৃদয়ে কম্পন ধরিয়ে দেন মাইকেল অরোয়ো। ফি-ফ্রিক থেকে পাওয়া বলটি দুর্দান্ত এক শটে স্বাগতিকদের জালে জড়ান তিনি (২-১)। এরপর আর নতুন করে গোল না হওয়ায় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় ইকুয়েডরের। স্বাগতিক শিবিরের সেমিফাইনালে ওঠার উল্লাস দেখেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।