মেইন ম্যেনু

ইঞ্জেকশনে ভয়! পালাতে গিয়ে হাসপাতালে ভয়াবহ কাণ্ড ঘটালেন রোগী

সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে এক রোগীর আত্মহত্যাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বোলপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম বিশু টুডু (৩৯)।

বাড়ি শান্তিনিকেতন থানার বনডাঙা গ্রামে। ইঞ্জেকশনে ভয়! পালাতে গিয়ে হাসপাতালে ভয়াবহ কাণ্ড ঘটালেন রোগী। এই ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

এলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার অতিরিক্ত মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিশু টুডু। পরিবারের লোকজন তাকে বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিত্‍সায় বেশ কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। মঙ্গলবার বেলা তিনটে নাগাদ চিকিত্‍সকের নির্দেশ মত কর্তব্যরত এক নার্স রোগীর আত্মীয় পরিজনের সামনে তাঁকে ইঞ্জেকশন দিতে যান। বিশু ইনজেকশন নিতে অস্বীকার করেন।

তাঁর আত্মীয়রাও বুঝিয়ে রাজি করাতে না পারায়, বেঁধে ইঞ্জেকশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখনই হাত ছাড়িয়ে তিন তলার ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে যান বিশু টুডু। এর পরে কয়েকজন হাসপাতাল কর্মীকে মারধর করে তৃতীয় তলার শেষ প্রান্তে ইমারজেন্সি এক্সিট গেট থেকে আচমকাই নীচে ঝাঁপ দেন তিনি। নীচে পড়ে গিয়ে তাঁর বুকে আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই রোগী।

এর পরেই সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, নিয়মমাফিক প্রতিটি ফ্লোরের ইমারজেন্সি এক্সিট গেটে দু’জন নিরাপত্তা রক্ষীর থাকার কথা। ওই গেট দিয়ে সাধারণত কোন রোগী মারা গেলে তাঁর দেহ নামান হয়। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তারক্ষী না থাকলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

যদিও, রোগীর আত্মীয়দের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে মৃতের আত্মীয় মহিম টুডু সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ কোনও নিরাপত্তা কর্মী থাকলে এই ঘটনা ঘটত না। –এবেলা






মন্তব্য চালু নেই