মেইন ম্যেনু

ইরাদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি এবং বঙ্গবন্ধু ও তার বাবাকে নিয়ে মানহানিকর উক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার এ আসামির বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ বাহালুল আলম বাহার জানান, ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টম্বর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ইসমাইল মো. গোলাম রসুল মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত মতিঝিল থানাকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সম্প্রতি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মতিঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম রাব্বানী। রোববার আদালত ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

প্রসঙ্গত, বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রাক্তন সদস্য (বর্তমানে বহিষ্কৃত) চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ইরাদ সিদ্দিকী ফেসবুকে লিখেন ‘শেখ হাসিনাকে গুপ্তহত্যা করা সম্ভব নয়, কারণ শেখ হাসিনার চারিদিকে ভারতের বিশেষ নিরাপত্তার চাদর রয়েছে। ভারতীয়রা সরাসরি শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বিধান করছে। কারণ, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থেরই প্রতিনিধিত্ব করছেন। শেখ হাসিনাকে গুপ্তহত্যা ছাড়া বাংলাদেশে ভারসাম্য ও গণতন্ত্র ফেরানো সম্ভব নয়।’

একই রাতে ফেসবুকে একটি ঘোড়ার ছবি পোস্ট করেন এবং বঙ্গবন্ধুর বাবাকে বলিয়াদির জমিদারের ঘোড়ার ভৃত্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে আরেকটি স্ট্যাটাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নিয়ে ট্রল করে পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লিখেন, ‘ভাস্কর্য হাজারো শব্দের প্রতিনিধিত্ব করে।’