মেইন ম্যেনু

ঈদের ছুটিতে শিশুর পড়াশোনা

ঈদের ছুটি। কিন্তু শিশুকে তো কিছু না কিছু পড়াশোনা করতেই হবে। স্কুল খুললেই পরীক্ষা। আবার এতগুলো বাড়ির কাজ দিয়ে দিয়েছেন শিক্ষকরা। তাই কুরবানির ঈদের নানান আয়োজনের ফাঁকে তাকেও উৎসাহিত করতে হবে বাড়ির কাজ শেষ করতে। সময় করে পড়তে বসাতে হবে আবার দেখতে হবে সে সবকিছু ঠিকমত করতে পারছে কিনা!

তাকে সাহায্য করতে করুন এই কাজগুলো-

একটা রুটিন করে দিন
রঙিন কাগজ দিয়ে সুন্দর একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করে টাঙ্গিয়ে রাখুন দেয়ালে, যেখানে লেখা থাকবে আপনার সন্তানের সাপ্তাহিক রুটিন। খাওয়াদাওয়া থেকে শুরু করে হোমওয়ার্ক এবং খেলাধুলার সময়ও লিখুন। তাহলে দিনের অন্যান্য কাজের মতই বাড়ির কাজকে সহজভাবে নেবে শিশু, বাড়তি বোঝা মনে করবে না। পাশাপাশি অবসরও পাবে।

একের পর আরেক
বাচ্চাদের অনেক সময় ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের উপর বাড়ির কাজ থাকতে পারে, একসঙ্গে সবগুলো করতে গেলে মনে হবে পাহাড় সমান কাজ জমেছে! তখন হোমওয়ার্ক শেষ করতেও কষ্ট হয় শিশুদের। এক্ষেত্রে আপনি একটি তালিকা তৈরি করুন। একটি একটি করে বাড়ির কাজ শেষ করতে বলুন সন্তানকে।

একঘেয়ে যেন না হয়
প্রতিদিন একইভাবে শুরু করলে বাড়ির কাজ একটি একঘেয়ে বিষয় হয়ে যাবে বাচ্চাদের জন্য। তাই চেষ্টা করুন তাদের মনোযোগ ধরে রাখতে। আজকে অংক দিয়ে শুরু করলে আগামীকাল প্রথমে ধরুন ইংরেজি কিংবা ছবি আঁকার হোমওয়ার্কটি।

মজার কিছু যোগ করুন
বাড়ির কাজ শেষে বাচ্চাদের নিয়ে করে ফেলুন একটি ছোট্ট ড্যান্স পার্টি। পছন্দের গানের সঙ্গে নাচানাচি করার খুশিতেই বাচ্চারা বাড়ির কাজ শেষ করবে দ্রুত। আজকের বাড়ির কাজ কী কী, তা গেয়ে শোনাতে বলুন, বাড়ির কাজ হয়ে যাবে মজার কিছু।

বিরতি দিন
বাড়ির কাজে মন বসানো এমনিতেই কঠিন, তার ওপর পাশের রুম থেকে টিভির শব্দ কিংবা গানবাজনার শব্দ শুনলে বাড়ির কা্জে মন বসানো হতে পারে অসম্ভব কাজ! তাই এই সময়টুকু বাড়ির সবাই মিলে পরিবেশ তৈরি করে দিন শিশুকে। নীরবতা, আরামদায়ক চেয়ার এবং পরিষ্কার টেবিল তৈরি করুন হোমওয়ার্কের জন্য। শিশুকে বলুন খাতা-পেন্সিল সব আগে গুছিয়ে নিয়ে বসতে।