মেইন ম্যেনু

ঈদের ছুটি শেষ, এখনো রয়ে গেছে আনন্দের রেশ

মোঃ আমান উল্লাহ, কক্সবাজার: ইতিমধ্যেই সরকারি ছুটি শেষ। কিন্তু শেষ হয়নি ঈদ আনন্দের রেশ। তাইতো এত ভিড় কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা গুলোতে। এখনো বেড়াতে আসা মানুষের ভিড় লেগেই রয়েছে পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে।

শহুরে জীবনের ইট-পাথুরের যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটু দূরে, যেখানে আছে শরতের শুভ্র নীল আকাশ, সুবিশাল সমুদ্র সৈকত আর পাহাড়ী ঝর্ণায় প্রকৃতির নানা আয়োজন।

স্বস্থির সময়গুলো মনে হয় এমনই। সমুদ্র জলের কোমল পরশ আর খোলা হাওয়ায় ইচ্ছে মতো ঘোরাঘুরি আর সমুদ্রের গর্জন। সবমিলিয়ে এক অন্যরকম ঈদ আনন্দ। এমটাই বললেন ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক দম্পতি রফিক ও সুজানা।

রাজশাহী থেকে আসা আর এক পর্যটক তৌহিদ বলেন, ছুটি শেষ হলেও পরিবার পরিজন নিয়ে ১০দিনের জন্য কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন। উঠেছেন তারকামানের হোটেল কক্স টুডে তে। তার ইচ্ছা এবারের ভ্রমনে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, পাথুরে বীচ ইনানী, রামুর দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ পুরাকৃত্তি এলাকা, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির ও রাখাইন পল্লী, ডুলাহাজারার বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, হিমছড়ির অপরূপ ঝর্ণা, দরিয়ানগরসহ বিভিন্ন পর্যটন পয়েন্টে ঘুরে বেড়ানোর। তিনি উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, আল্লাহর অপরুপ সৃষ্টি কক্সবাজার। যে কেউ কক্সবাজার এসে বিমোহিত না হয়ে পারবে না।

এদিকে পর্যটকের পাশাপাশি পর্যটন স্পট গুলোতে স্থানীয়দের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। এ যেন ঈদ আনন্দের প্রতিচ্ছবি। নানা উৎসবকে উপলক্ষ করে বছরে হাতেগোনা কয়েকবারই এমন একটু বেশী ছুটি পান কর্মজীবিরা। এ শুধু ঘোরাঘুরিই নয় বরং সামনের কর্মব্যস্ত দিনগুলোর জন্য জীবনী শক্তি সঞ্চয়।

অন্যদিকে আকাশছোঁয়া পাহাড়ের কোলে হিমছড়ি ঝর্ণার স্বচ্ছ পানি। তপ্ত রোদে ঝর্ণার শীতল পানিতে গা ভাসিয়ে সিক্ত হচ্ছেন পর্যটকরা। পাশাপাশি পর্যটকদের মুখে প্রশংসার বাণী শোনা গেছে, জেলা প্রশসনের উদ্যোগে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সবগুলো স্পটে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহন করায়।

ট্যুরিষ্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হোসাইন মোঃ রায়হান কাজেমী জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সমন্বয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করায় কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পর্যটকরা মনের আনন্দে তাদের ভ্রমন সম্পন্ন করতে পেরেছে।