মেইন ম্যেনু

‘ঈদে অতিরিক্ত যাত্রী নিলে যাত্রা বাতিল’

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, নৌ-দুর্ঘটনা রোধে কোনো লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী নিলে এবং জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম পর্যাপ্ত না থাকলে ওই লঞ্চের যাত্রা স্থগিত করা হবে। এবং ঐসব লঞ্চকে জরিমানা করা হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের একাদশতম অধিবেশনে সাংসদ কামরুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২) উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নৌদুর্ঘটনা রোধকল্পে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ঢাকা নদীবন্দরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরসমূহে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

এ ছাড়া নদী কেন্দ্রিক ৪৭টি জেলার জেলাপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন কর্তৃক সংশ্লিষ্ট লঞ্চঘাট এলাকায় অবৈধ যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ করার জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

নৌমন্ত্রী জানান, ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সদরঘাট টার্মিনালে টিকেট কাউন্টার স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে টিকেট কাউন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা সদরঘাট টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা আছে।

যাত্রী সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সকল নদীবন্দরকে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম মাঈনুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান বলেন, ‘পায়রা বন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি জিটুজি এবং এফডিআই ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় জমি ও অবকাঠামো নির্মাণ করে দেয়া হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের নিজস্ব অর্থ এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে। সরকারকে সরাসরি কোনো অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে না।’

তিনি জানান, পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে এর মাধ্যমে দেশের সম্ভাব্য আয়ের পরিমাণ নিরুপণ করা না গেলেও বন্দর সুবিধা ব্যবহার করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে এবং শিল্পায়নের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।