মেইন ম্যেনু

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ

স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। ঈদুল ফিতরে টানা ৯ দিনের ছুটির শেষদিন শনিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, সায়েদাবাদ, গাবতলি আন্তজেলা বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, পরিবার-পরিজন নিয়ে ফিরছেন অনেকে।

রেল স্টেশন, লঞ্চঘাট ও বাস টার্মিনালে গন্তব্যে যেতে অপেক্ষমাণ অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেষ মুহূর্তের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে একটু আগে-ভাগে ফিরছেন তারা।

দিনের শেষদিকে ঢাকামুখী জনস্রোত আরও বাড়বে। রোববার (১০ জুলাই) থেকে অফিস-আদালত খুলছে ৯ দিন টানা বন্ধের পর। তবে রাজধানীর আশপাশের জেলার অনেকে এ দিন সকালে ফিরে অফিস করবেন।

এ বছর ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হয় ১ জুলাই থেকে। মধ্যে পবিত্র শবে কদরের পরদিন ৪ জুলাই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী খোলা খাকলেও বিশেষ ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওইদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। এতে ঈদে ছুটি গড়ায় টানা ৯ দিনে।

বিশেষ ওই ছুটি ঘোষণায় শেষ কার্যদিবস ৩০ জুন বিকেল থেকেই শুরু হয় ঘরে যাওয়ার পালা। ঈদ উদযাপনের সম্ভাব্য দিন ভাবা হয়েছিল ৬ জুলাই। কিন্তু শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয় ৭ জুলাই।

ঈদের ছুটি লম্বা হওয়ায় ঘরমুখো মানুষ ফিরছেন ধীরে-সুস্থে। এতে সড়ক, রেলওয়ে ও নদীপথে বাড়ি ফেরায় হুড়োহুড়ি ছিল অন্যবারের তুলনায় কম। দুর্ভোগও হয়েছে কম। কিছুটা যানজট ছিল বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুমুখী সড়কে।

তবে ঘরমুখো মানুষকে ভাড়া গুনতে হয়েছে দ্বিগুণ, কোনো কোনো রুটে তিনগুণ, যদিও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী জানিয়েছিলেন অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর ব্যবস্থা। দূরপাল্লার পাশাপাশি ঈদ বকশিশের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হতে হয়েছে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীদেরও। অভিযোগ রয়েছে, গুলিস্তান-গাবতলি, মিরপুর-গুলিস্তান, মিরপুর-সদরঘাটসহ রাজধানীর সব রুটে নির্ধারিত ভাড়ার কয়েকগুণ বেশি আদায় করা হয়েছে।

ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের অনেকে জানিয়েছেন, ঈদের আগে ঢাকা যেভাবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছিল, একই অবস্থা ফিরতি যাত্রায়ও।

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, দূরপাল্লায় ভাড়া কমানোর কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। উল্টো চিত্র সব রুটেই। দ্বিগুণেরও বেশি আদায় করা হচ্ছে ভাড়া।