মেইন ম্যেনু

উখিয়ায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বাজার

ঈদুল আযহা উপলক্ষে উখিয়ার গ্রামগঞ্জে জমে উঠেছে পশুর বাজার। এবারের কোরবানির বাজারে প্রচুর দেশী গরু বিক্রি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আমদানি বন্ধের খবরে গরু সংকটের গুজব উঠায় বাস্তবে তা নেই। দেশীয় গৃহপালিত গরু হাট-বাজার সয়লাব হয়ে পড়েছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, গরুর দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। যে কারণে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা বেশি হলেও সমপরিমাণ গরু বিক্রি হচ্ছে না। তবে দাম বেশি আর কম হউক, আগামী বাজারে তুমুল গরু বেঁচা-কেনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন গরু ব্যবসায়ীরা।

সরকারিভাবে এ উপজেলায় উখিয়া গরুর বাজার ও মরিচ্যা বাজার পশুর বাজার হিসাবে এলাকায় বেশ পরিচিত। তাই বিভিন্ন এলাকা থেকে এ দুটি বাজারে লোকজন ছুটে আসে পশু কেনার জন্য। কোরবানির ঈদ বাজারকে সামনে রেখে বর্তমানে উখিয়ার গ্রামগঞ্জে ৭/৮টি পশুর হাট বসেছে।

গতকাল সোমবার রুমখা গরুর বাজার ঘুরে স্থানীয় গরু ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে ভারত ও মিয়ানমারের গরু নাই। স্থানীয় কৃষকদের গৃহপালিত গরু বাজারজাত হচ্ছে। চাহিদা অনুপাতে গরু উঠলেও দাম বেশি হওয়ার কারণে বিক্রি হচ্ছে কম। নলবনিয়া গ্রামের উলা মিয়ার গরুটির দাম চাওয়া হচ্ছে ৬০ হাজার টাকা। সে জানায়, তার গরুতে ৩ মন মাংস হবে।

ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরে এ সাইজের গরু বিক্রি হয়েছে ৪৫/৫০ হাজার টাকা দরে। গয়ালমারা গ্রামের মোহাম্মদ ইউনুছ প্র: বাবুল জানায়, সে গরুটি কোরবানির বাজারে বিক্রির জন্য দীর্ঘ দিন ধরে লালন পালন করে আসছে। তার গরুতে ৬ মন মাংস হবে। দাম চাওয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। এভাবে গরুর দাম বেশি চাওয়ার কারণে অনেকেই দরদাম করে গরু কিনছে না।

একাধিক ক্রেতারা জানান, আগামী বাজার দাম একটু কমতে পারে। এভাবে দাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা মনে করে বৃহত্তর ক্রেতা সাধারণ বাজার ঘুরে ঘুরে গরু দেখলেও কিনছে না। বাজারের ইজারাদার আবুল মনজুর জানান, এখানে মিয়ানমারের অথবা ভারতের কোন গরু নাই। যেসব গরু বাজারে এসেছে তা স্থানীয়ভাবে গৃহপালিত। কৃষকেরা দাম পাওয়ার আশায় এসব গরু লালন পালন করেছে।

সে জানান, এ বাজারে গরু বিক্রয় করে ক্রেতা-বিক্রেতারা সহনীয় পর্যায়ে টোল আদায় করতে পারার সুযোগে বিভিন্ন এলাকা থেকে এ বাজারে গরু আসছে। উ

পজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন জানান, জনস্বার্থে ও স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করার জন্য বিভিন্ন স্থানে গরুর বাজার বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে জনদুর্ভোগ পোহাতে হয় এমন কোন স্থানে গরুর বাজার না বসানোর জন্য নিষেধ করা হয়েছে।