মেইন ম্যেনু

উচ্ছ্বসিত রেলমন্ত্রী দোয়া চাইলেন দেশবাসীর

আর দিন পরেই ৬৯ বছরে পা দেবেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। এরআগেই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার পেলেন তিনি। জীবনের পরন্ত বেলায় এসে নিজ সন্তানের মুখ দেখে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনি।

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে গত শনিবার দুপুর ২টা ৪৫মিনিটে স্ত্রী হনুফা বেগম ফুটফুটে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মা ও মেয়ে দু’জনে সুস্থ রয়েছেন।

রবিবার বিকালে মুঠোফোনে মুজিবুল হক বলেন, আল্লাহ কাছে লাখ কোটি শুকরিয়া। আল্লাহ আমাকে সন্তান দান করেছেন। আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই যেন- সন্তানটি সুস্থভাবে বড় হয়।

জীবনের সিংহভাগ সময় একাকী কাটিয়ে দেয়া রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বিয়ের প্রায় দেড় বছরের মাথায় প্রথমবারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হলেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রেলমন্ত্রীর সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

সন্তানের মুখ দেখার জন্য অধীর অপেক্ষা থাকার প্রহর শেষ করে ফুটফুটে সন্তানের মুখ দেখেন তিনি। এই অনুভূতি জানিয়ে বলেন, প্রথমে আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। বাবা হতে পেরে আমি খুব খুশি। তবে জন্ম নেওয়া রাজকন্যার নাম এখানো ঠিক করা হয়নি বলেও জানান রেলমন্ত্রী।

২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর ৬৭ বছর বয়সে বিয়ে করেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জনপ্রিয় নেতা মুজিবুল হক। ৫ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে একই জেলার চান্দিনার মেয়ে হনুফা আক্তার রিক্তার (৩২) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এ বিয়ে নিয়ে অবশ্য দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

১৯৪৭ সালের ৩১ মে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বসুয়ারা গ্রামে মো. মুজিবুল হক জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে তিনি চৌদ্দগ্রাম থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি রেলপথমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ১৯৮৫ সালের ২০ মে হনুফা আক্তার ওরফে রিক্তা জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ সালে গল্লাই আবেদা নূর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে রিক্তা এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে এলএলবি পাস করেন।