মেইন ম্যেনু

উদার মনের ১০ সেলিব্রেটি দেখুন ছবিতে

হাসানো, কাঁদানো বা বিরক্তির কারণই শুধু সেলিব্রেটিরা নন। তারা শুধু দর্শককে বিনোদিত করেন বিষয়টি এমনও নয়। বরং মানুষের জন্য নানারকম মঙ্গলজনক কাজও করেন। এজন্য নিজেদের পরিশ্রমিকের অর্থও মানুষের কল্যাণে দান করে দেন তারা। এমন ১০ জন তারকাকে নিয়ে এই প্রতিবেদন।

4-most-01

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

পর্দায় অ্যাকশন, থ্রিলার বা রোমান্টিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বাস্তব জীবনে একেবারে আলাদা। সুন্দর মুখশ্রীর মতো তার হৃদয়টাও সুন্দর। ৬টি সন্তান থাকার পরও তাই নতুন করে আরেকটি শিশু দত্তক নিয়েছেন তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার শিশু মুসাকে নিজের সপ্তম সন্তান হিসেবে দত্তক নিয়েছেন হলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা। এ ছাড়া বিভিন্ন চ্যারিটি সংস্থাকে বিভিন্ন সময় আর্থিক অনুদান দেন জোলি।

4-most-02

বিয়ন্স

আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী শুধু অভিনয় বা গান নিয়ে পড়ে থাকেন না; শিশুদের জন্য অন্তপ্রাণ বিয়ন্স। ‘হারিক্যান কাটরিনা’য় আক্রান্ত শিশুদের সহায়তায় নিজেই প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া নিজের আরেকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার। সেটা হল ‘বিয়ন্স এক্সপিরিয়ান্স টুর’। এটা মূলত এন্টি-হাঙ্গার সংস্থা। শুধু নিজের নয়, তিনি আর্থিকভাবে সাহায্য করেন এরকম আরও কয়েকটি সংস্থাকে। এগুলো হল-ফিডিং আমেরিকা ও দ্য গ্লোবাল ফুট ব্যাঙ্কিং নেটওয়ার্ক।

4-most-03

মাইলি সাইরাস

‘কুইন অব স্ক্যান্ডাল’ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের এই জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীকে সবাই বেশি পছন্দ করেন। উল্টোভাবে বললে কিভাবে প্রাদপ্রদীপের আলোয় থাকা যায় তা ভালই জানা আছে সাইরাসের। এ জন্য শুধু বিতর্ক নয়, দাতব্য কাজেও সবার আগে থাকেন তিনি। ‘স্তন’ ক্যান্সার নিয়ে কাজ করা লিবি রোস ফাউন্ডেশনকে সহায়তা করেন সাইরাস। এ ছাড়া ৪০টি বিভিন্ন দাতব্য সংস্থাকেও নানা আর্থিক করে থাকেন এই শিল্পী।

4-most-04

টেলর সুইফট

প্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা অপরাধ করে তাদের বিরুদ্ধে পরিচিত কণ্ঠ এই আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী। শুধু ‘ইন্টারনেট সেক্স’ বিরোধী কার্যক্রমেই যুক্ত নন তিনি, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডও সমান তালে করেন সুইফট। ২০০৮ সালে আইওবা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় রেডক্রসকে ১ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক অনুদান দেন। এ ছাড়া ২০টির মতো দাতব্য সংস্থাকে সাহায্য করেন তিনি।

4-most-0

মর্গান ফ্রিম্যান

অভিনেতা, পরিচালক ও বর্ণনাকার মর্গান ফ্রিম্যান। মানবিক কাজেও দারুণ দক্ষ। শত ব্যস্ততার মাঝেও তাই দাতব্য কাজগুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেন তিনি। প্রায় ২০টি দাবত্য সংস্থাকে নানাভাবে সহায়তা দিয়ে থাকেন ফ্রিম্যান।

4-most-06

জর্জ লুকাস

শুধু ছবি নির্মাণ করেন না জর্জ ‍লুকাস। মানুষের জীবন নির্মাণেও অনেক কাজ করছেন তিনি। তাই নিজের ‘স্টার ওয়ার্স’ ছবির আয়ের ৪ মিলিয়ন ডলার তিনি দান করেছেন শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য। ‘স্টার ওয়ার্স’ ও ‘ইন্ডিয়ান জোনস’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হিসেবে বিশ্বে সমধিক পরিচিত তিনি।

4-most-07

জে. কে রাওলিং

‘হ্যারি পটার’ বইয়ের লেখিকা সাহিত্য জগতে সুপরিচিত একটি নাম। এই সিরিজের বই লিখেই ধনকুবের হয়েছেন রাওলিং। তবে ধনকুবের হয়ে দমে যান তিনি। বরং মানুষের সহায়তায় বিশেষ করে দারিদ্র্য, জটিল রোগ ও শিশু কল্যাণের জন্য বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় প্রায় ১৬ কোটি ডলার আর্থিক সাহায্য দিয়েছেন এই লেখিকা।

4-most-08

জন সেনা

পেশাদার একজন রেসলার (কুস্তিগির)। সঙ্গে অভিনয়টাও ভাল করেন। তবে আরেকটি কাজ দারুণ দক্ষতার সঙ্গে করেন সেনা। নানাবিধ দাতব্য কাজ। মেইক-এ-উইশ ফাউন্ডেশনকে সাহায্য করেছেন। এ ছাড়া সুসান জি. কোম্যান সংস্থার জন্য দেড়কোটি ডলার সংগ্রহ করে দিয়েছেন তিনি। ‘স্তন’ ক্যান্সার সচেতনায় কাজ করে এই সংস্থাটি।

4-most-09

লেব্রন জেমস

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া বাস্কেটবল প্লেয়ার জেমস। তার বার্ষিক আয় ৩৩ মিলিয়ন ডলার। অঢেল টাকার মালিক এই খেলোয়াড় শুধু দামী দামী গাড়ি, বাড়ি বা অন্যান্য জিনিস কিনেই সময় ব্যয় করেন না। দাতব্য কাজও করেন। আমেরিকার ছেলে-মেয়েদের ক্লাবের জন্য তিনি দান করেছেন আড়াই কোটি ডলার। এ ছাড়া বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা যেমন আফ্টার-স্কুল অল স্টার্স, গ্যাব্রিয়েল’স অ্যাঞ্জেল ফাউন্ডেশন, দ্য চিল্ড্রেন’স ডিফেন্স ক্লাবকেও আর্থিক সাহায্য করেন তিনি।

4-most-10

জাস্টিন বিবার

২১ বছর বয়সী এই কানাডিয়ান সঙ্গীত শিল্পী শুধু গান নিয়েই ব্যস্ত থাকেন না। বরং নানাবিধ সামাজিক কাজেও নিজেকে যুক্ত করেছেন বিবার। ২০১৪ সালে তিনি পেয়েছিলেন ‘চ্যাম্প অব চ্যারিটি অ্যাওয়ার্ড’। কিন্তু পুরস্কারের পুরো অর্থ তিনি অনুদান হিসেবে দিয়েছেন ক্যান্সার আক্রান্ত ১০ বছর বয়সী শিশু গ্রেস কেসাব্ল্যাকের চিকিৎসা সহায়তায়।