মেইন ম্যেনু

উদ্বেগ দূর করার ব্যাতিক্রমী ও কার্যকর উপায়

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই দৌড়ে কাজে বেরিয়ে পড়া, সারাদিন ছোটাছুটি আর নানারকম ঝামলা সামলে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে ঠিক কি মনে হয় আপনার? পৃথিবীর সব চাপ যেন আপনার ঘাড়েই এসে বসে আছে, তাইতো? শুধু কি দিন শেষে? দিনের সারাটা সময় এটা-সেটা নিয়ে রোজই নানারকম মানসিক চাপ আর উদ্বিগ্নতার ভেতরে দিয়ে যেতে হয় আমাদের। এই উদ্বিগ্নতা আর চাপ কমাতে কতরকম সমাধানই না অবলম্বন করি আমরা। চলে যাই চিকিৎসকের কাছেও! কিন্তু আজ আপনাদেরকে এমন কিছু হাস্যকর আর সহজ উপায়ের কথা শোনাব যেগুলোর মাধ্যমে উদ্বিগ্নতাকে এক তুড়িতে সরিয়ে দিতে পারবেন আপনি আপনার জীবন থেকে। চলুন দেখে নিই সেগুলোকে।

১. পছন্দের গান জোরে জোরে গাওয়া
খুব অদ্ভূত শোনাবে হয়তো কিন্তু এটা অনেকটাই সত্যি যে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন মানুষকে তাদের পছন্দমতন ভিন্ন গান ও গানের সুর প্রভাবিত করে অনেক বেশি পরিমাণে। আর তাই কষ্টে, আনন্দে, রাগে- সবসময়ই আমরা আমাদের পছন্দের গান শুনে থাকি। কখনো কখনো তো কোন কারণ ছাড়াই কানে হেডফোন ঢুকিয়ে বসে থাকে মানুষ। আর তাই হাস্যকর মনে হলেও মানসিক চাপে থাকাকালীন সময়ে এরপর জোরে জোরে নিজের প্রিয় গানটি গাইতে শুরু করুন (লাইফহ্যাক)। প্রথমটায় হয়তো গাইতেই ইচ্ছে হবে না আপনার। তবে দেখবেন খুব দ্রুত সমস্যা কেটে গিয়েছে আর সরে গিয়েছে উদ্বিগ্নতাও।

২. ছবি আঁকা
ছবি আঁকার একটা নিজস্ব ক্ষমতা আছে আমাদের মনকে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার। লক্ষ্য স্থির করে আরো বেশি মনযোগী হওয়ার। বিশেষ করে খেয়াল করবেন যে ছবি আঁকা শুরু করার খানিকটা সময় পর আর অন্য কোনদিকে খেয়াল থাকেনা আপনার। আঁকাআকি মানুষের মন ও শরীরকে অনেক বেশি বিশ্রাম দিয়ে থাকে, শান্ত করে থাকে। আর তাই উদ্বিগ্ন অবস্থায় আঁকতে শুরু করুন। দেখবেন খানিক বাদেই আপনার আর মনেই থাকবে না যে আপনি চিন্তিত ছিলেন কোন ব্যাপারে।

৩. শারিরীক পরিশ্রম করা
প্রচন্ড চিন্তায় আছে আপনার মন, অস্থির হয়ে আছে, চেষ্টা করুন শরীরকে ব্যস্ত রাখতে। একটা সময় তাহলে এর প্রভাব পড়বে আপনার মনেও। এক্ষেত্রে ব্যায়াম করতে পারেন আপনি কিছুক্ষণ। হাতের কাছে গ্লাভস আর পাঞ্চিং ব্যাগ বা ঘুষি মারবার মতন কিছু একটা রাখতে পারেন (বাস্টল)। খানিকটা সময় ঘরের কাজকর্ম করলেও আপনার শরীর ও মন ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারে অন্যদিকে।

এছাড়াও মানসিক চাপে থাকলে-
ক. মুখে এটা চিউয়িং গাম পুরে নিতে পারেন। এতে করে আপনার ব্যস্ততা বাড়বে।
খ. হাতে একটা রাবার ব্যান্ড পরতে পারেন। সেটাকে নাড়াচড়া করার সাথে উদ্বিগ্নতার একটা সম্পর্ক যোগ করতে পারবেন আপনি।
গ. পোষা প্রাণীটির সথে খানিকটা সময় ঘুরে আসতে পারেন বাইরে থেকে।
ঘ. অন্যকে হাসাতে পারেন নিজের নানা অদ্ভূত কার্যক্রমের মাধ্যমে। তার প্রভাব পড়বে আপনার ওপরেও।