মেইন ম্যেনু

উৎসবের আমেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

রমজান ও ঈদের ছুটির কারণে ফাঁকা ক্যাম্পাসটা আজ অনেকটাই জমজমাট। গত দুই দিন থেকে বৃহস্পতিবার একটু বেশিই শিক্ষার্থীদের জটলা দেখা গেছে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি)। ক্যাম্পাসের প্রতিটি একাডেমিক ও প্রাশাসনিক ভবনে করা হয়েছে আলোকসজ্জা। হলে হলে দেখা গেছে একই রূপ। রঙিন আলোর ঝলকানিতে অনেকটা উৎসবমুখর দেখা যাচ্ছে কলা ভবনের সামনের অপরাজেয় বাংলা এবং ঐতিহাসিক বটতলাকে।

চিরচেনা কার্জন হল থেকে যেন আজ চোখ সরছে না দর্শণার্থীদের। ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোকসজ্জার এমন ঝলকানি দেখা যাচ্ছে টিএসসি, কলা ভবন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, সেন্ট্রাল লাইব্রেরি থেকে শুরু করে প্রতিটি একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনেও।

এ যেন এক মহা উৎসবের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পুরো ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে বিয়ে বাড়ির সাজে। সংখ্যায় কম হলেও এমন উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেকে হলের কোণে বন্দি করে রাখা কি সম্ভব! তাই তো বসে নেই প্রাচ্যের অক্সফোর্ড-খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। হৈ-হুল্লোড় আর চেঁচামেচিতে নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন তাদের। কেউবা ব্যস্ত সেই আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি ফ্রেমে বন্দি করে রাখতে। আনন্দের কমতি নেই আজ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্যাম্পাসের আলোকসজ্জার ছবি নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখছেন ‘আমি আজ গর্বিত, কারণ আমি এই পরিবারেরই একজন সদস্য’। কেউবা সেলুট জানাচ্ছে প্রাণের বিদ্যাপীঠকে।

অন্যায় ও অশুভ শক্তিকে উপেক্ষা করে সত্য ন্যায়ের ঝাণ্ডা ধরে এগিয়ে যাবে শতবর্ষের দ্বারপ্রান্তে থাকা এ বিদ্যাপীঠ এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। পূর্বের ন্যায় দেশের ক্রান্তিলগ্নে আবারো সোচ্চার হবেন এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে উপেক্ষা করে সত্য ন্যায়ের পথ দেখাবে ষোলো কোটি বাঙালিকে। তাইতে এবার প্রতিপাদ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশে উচ্চশিক্ষা।’