মেইন ম্যেনু

এইচআইভি সংক্রমণ : জানুন প্রথম লক্ষণ এবং উপসর্গ

যখনই আমরা ‘এইচআইভি বা এইডস’ শব্দটি শুনতে বা দেখতে পাই একটি অদ্ভুত অনুভূতি আমাদের মেরুদণ্ড নিচে বেয়ে নিচে নেমে যায়। হিউম্যান ইমিউনো ডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস বা এইডস (HIV) মূলত কোন রোগ নয়, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাব জনিত নানা রোগের সমাহার।

এইচ.আই.ভি ভাইরাস মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়, ফলে নানা সংক্রামক রোগ ও কয়েক রকম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রোগী মৃত্যু মুখে ঢলে পড়ে।

অয়াল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ও ইউএনএইডস এর রিপর্ট অনুযায়ী, ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী ৩৬.৯ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভি আক্রান্ত ছিল। ২ মিলিয়ন মানুষ সদ্য সংক্রমিত হয়েছে এবং ১.২ মিলিয়ন একই সময়ের এইডস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

এই ভাইরাস একবার সংক্রমিত হলে তা কমানো সম্ভব হলেও সম্পূর্ণ দূর করা এখনো সম্ভব নয় তাই শেষপর্ষন্ত সেই রোগীর এইডস হওয়া বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে বিশ্বের খুব অল্প সংখক অঞ্চলের কিছু লোকেদের শরীরে কয়েকটি জীনে খুঁত থাকে যার ফলে এইডস ভাইরাস তাদের শরীরে সফল ভাবে সংক্রমণ করতে পারেনা। তাদের এইচআইভির বিরুদ্ধে জন্মগত অনাক্রম্যতা আছে বলা যায়।

মারাত্মক এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাব্য লক্ষণ:

• জ্বর

• মাথা ব্যাথা

• ফুসকুড়ি

• গলা ব্যাথা

• ধরা পেশী

• ফোলা লিম্ফ গ্রন্থি – প্রধানত ঘাড়ে

• বমি বমি ভাব এবং বমি

• মুখের যৌনাঙ্গের মধ্যে আলসার

• সবকিছু অস্পষ্ট ও বিকৃত দেখা

• তীব্র অবসাদ অনুভব

• ওজন হ্রাস

• রাতের বেলা ঘাম হওয়া

সচেতনতাকেই এর একমাত্র প্রতিরোধক বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে ‘নেভিরাপিন’ এইচআইভি রোগীদের অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ । নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, অপরিষ্কার এবং কারো ব্যবহৃত সুচ ব্যবহার না করা, কারো থেকে রক্ত গ্রহণ করতে হলে সেটা এইচআইভি সংক্রমিত কিনা পরীক্ষা করে দেখা নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা, এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির ব্লেড এবং টুথব্রাশ ব্যবহার না করা এবং সতর্কতার সাথে নিজের শারীরিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রতি খেয়াল রাখা ইত্যাদি এইচআইভি হতে মুক্তি দিতে পারে।- সূত্র: জি-নিউজ।