মেইন ম্যেনু

এই তরুণীর জিভের দাম ৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা!

আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি যতই উদ্ভট মনে হোক না কেন, হেলেই কুর্টিস-এর কাজের ধরনটি জানলে ব্যাপারটা আর তেমন অসঙ্গত মনে হবে না। ক্যাডবেরি চকোলেট কারখানায় তাঁর কাজ হল, সদ্যনির্মিত চকোলেটগুলি চেখে দেখা।

এই তরুণীকে অনেকেই পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবতী বলে মনে করতে পারেন। কারণ একদিকে তাঁর কর্মস্থল হল ক্যাডবেরি চকোলেটের একেবারে প্রাণকেন্দ্র বোর্নভিল, যেখানে কাজ করার সুবাদে বিশ্বজুড়ে অজস্র চকোলেট প্রেমীর ঈর্ষার কারণ হতে পারেন তিনি। আর অন্যদিকে তাঁর জিভের দাম হল ৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা।

আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি যতই উদ্ভট মনে হোক না কেন, হেলেই কুর্টিস-এর কাজের ধরনটি জানলে ব্যাপারটা আর তেমন অসঙ্গত মনে হবে না। ক্যাডবেরি চকোলেট কারখানায় তাঁর কাজ হল, সদ্যনির্মিত চকোলেটগুলি চেখে দেখা। সেগুলির স্বাদ ঠিকঠাক হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখেন কুর্টিস। মনে হতে পারে, এ আর এমন কী কাজ!

কিন্তু কুর্টিস বলছেন, ‘প্রতিটা নতুন চকোলেট তৈরি হওয়ার পরে একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সেই চকোলেট মুখে দিয়ে তার স্বাদ ঠিকঠাক রয়েছে কি না তা বোঝা-ই আমার কাজ। পৃথিবীজুড়ে এক এক চকোলেট প্রেমীর পছন্দ এক এক রকম। আমাকে সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই বুঝতে হয় চকোলেটের স্বাদ যথাযথ হয়েছে কি না। যদি স্বাদ নিয়ে কোনও পরামর্শ থাকে, তাহলে সেটাও ঠিকঠাক জায়গায় পেশ করতে হয়।’’

সলে ক্যাডবেরির ইনোভেশন কিচেন-এ প্রতিনিয়তই চকোলেটে নতুনত্ব আনার জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। আর সেইখানেই কুর্টিসের গুরুত্ব। তাঁর স্বাদকোরকের যে বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে তা খুব কম মানুষেরই থাকে। ক্যাডবেরি জানেও সেই কথা। তাই কুর্টিসের জিভকে ১ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দিয়ে ইনশিওর করিয়ে রেখেছে। অর্থাৎ কুর্টিসের জিভ যদি কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে বীমা কোম্পানি ৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা দেবে।

কুর্টিস নিজে কী বলছেন তাঁর এই কাজ নিয়ে? তিনি বলছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ক্যাডবেরি চকোলেট খেয়ে বড় হয়েছি। ফলে এই কাজটা করতে দারুণ লাগছে আমার।’’ সত্যি, তাঁর মতো সৌভাগ্য আর ক’জনের হয়। -এবেলা।