মেইন ম্যেনু

এই প্রথম আম্পায়ারের হেলমেট ব্যবহার

ক্রিকেট মাঠে ব্যাটসম্যানদের থেকে মাত্র ২৪ গজ দূরে থাকেন আম্পায়াররা। আগ্রাসী হয়ে ওঠা ক্রিকেটে আম্পায়ারদের নিরাপত্তার কথা কি একবারও ভেবে দেখেছেন?

প্রায়ই দেখা যায় ব্যাটসম্যানদের সোজা ব্যাটের শট আম্পায়ারদের শরীর ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। কখনো কখনো শরীরে লেগেও যায়। মাথার কাছ দিয়ে যাওয়া বলের থেকে সুরক্ষা পেতে আম্পায়ারদের মাটিতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ক্রিকেট মাঠের প্রতিদিনের চিত্র। ভাগ্য ভালো বলে এখনো আন্তর্জাতিক কোনো ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়াররা বড় কোনো দূর্ঘটনার শিকার হননি।

তবে কিছুদিন আগে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে ঘটে যায় মর্মান্তিক এক দূর্ঘটনা। গত ১ ডিসেম্বর রঞ্জি ট্রফিতে পাঞ্জাব ও তামিল নাড়ুর ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করা জন ওয়ার্ডের মাথায় বল আঘাত করে। এখনো তার অবস্থা আশংকাজনক। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েলের এসদুদ শহরে বলের আঘাতে আম্পায়ার ও দেশটির প্রাক্তন অধিনায়ক হিল্লেল অস্কার মারা যান।

ব্যাটসম্যান ও উইকেটরক্ষক বলের আঘাত থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে হেলমেট ব্যবহার করে থাকেন। বুধবার রাতে প্রথম আম্পায়ার হিসেবে মাঠে হেলমেট পরে আম্পায়ারিং করেছেন অস্টেলিয়ান জেরার্ড অ্যাবোড। ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে বিগ ব্যাশের ম্যাচে মেলবোর্ন রেনেগেডস ও পার্থ স্কোরচার্চ ম্যাচে ব্যাটসম্যানদের মতোই কালো মাসৌরি হেলমেট পরে মাঠে নামেন অ্যাবোড।

ম্যাচ শুরুর আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন হেলমেট পরে আম্পায়ারিং করবেন অ্যাবোড। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, ‘দিনে দিনে ব্যাটসম্যানদের ক্ষীপ্রতা বেড়ে যাচ্ছে। আগের থেকে বল দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই হেলমেট ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ ব্যাটসম্যানদের থেকে মাত্র ২৪ গজ দূরে দাঁড়াই আমরা। তবে এ হেলমেটটি আমাদের জন্যে মানানসই না। আইসিসি কিংবা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত এ হেলমেটটি আমি ব্যবহার করে যাব।’