মেইন ম্যেনু

এই ব্যক্তিকে চেনেন? সালমান খানের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছেন ইনি…

কৃষ্ণসার এবং চিঙ্কারা হত্যায় বেকসুর খালাস পেয়েও বিপদ কাটল না সলমন খানের। নতুন করে উদয় হলেন সাক্ষী। অথচ, এই সাক্ষীর অভাবেই সলমন নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।

১৮ বছরেও উপযুক্ত প্রমাণ বা সাক্ষী জোগাড় করা যায়নি। ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার এবং চিঙ্কারা হত্যা মামলা থেকে সলমন খানকে রেহাই দিয়েছিল রাজস্থান হাইকোর্ট। কিন্তু স্বস্তির প্রহর দীর্ঘস্থায়ী হল না। নতুন করে উদয় হল এক সাক্ষীর। ১৯৯৮ সালে ঘটনার দিন যিনি গাড়িটি চালাচ্ছিলেন, তিনি দাবি করেছেন, গুলি চালিয়েছিলেন ‘‘সুলতান’’-ই।

চালক হরিশ দুলানি ‘‘নিখোঁজ’’ বলে আদালতে জানানো হয়েছিল। যে গাড়িতে সলমন ছিলেন, সেটি তিনিই চালাচ্ছিলেন। অর্থাৎ, ঘটনাক্রম অনুযায়ী, হরিশ এই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। এত দিন তিনি কোথায় ছিলেন? হরিশের দাবি, তিনি মোটেই ‘‘নিখোঁজ’’ ছিলেন না। স্রেফ ভয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। তিনি জোরগলায় বলেছেন, ‘‘ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৮ বছর আগে যা বলেছিলাম, আজও সেই বয়ানে আমি অটল। সলমন গাড়ি থেকে নেমেছিলেন এবং হরিণটিকে গুলি করেছিলেন। আমি নিখোঁজ ছিলাম না। আমাকে এবং আমার বাবাকে ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সে কারণেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’’

ভয়ে যোধপুরে নিজের বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিতে গিয়েছিলেন বলে দাবি হরিশের। কিন্তু সেখানেও ঠাঁই পাননি। তিনি বলেছেন, ‘‘আমাকে যদি পুলিশ প্রোটেকশন দেওয়া হত, তাহলে আমি বয়ান দিতাম। আমি কিন্তু বরাবরই বয়ান দিতে চেয়েছি।’’

বাদীপক্ষের সবথেকে বড় অস্ত্র ছিল দুলানির বয়ান। কিন্তু দুলানি উপস্থিত না-থাকায় সলমনের বিরুদ্ধে মামলা দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০০২ থেকে দুলানির কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফের প্রকাশ্যে এসে তিনি বলেছেন, ‘‘সলমন খানের ড্রাইভার হওয়ার শাস্তি আমি পেয়েছি। আমি এখন ভয়ে ভয়ে বাঁচি।’’ আদালতে সলমনের আইনজীবীরা বলেছেন, স্রেফ দুলানির বয়ানের ভিত্তিতে তাঁদের মক্কেলকে ফাঁসানো হয়েছে।

অথচ, তার পর থেকে দুলানিকে প্রশ্ন করার কোনও সুযোগই পাওয়া যায়নি। ফলে, তাঁর বয়ানে ভরসা করা যায় না। এই সূত্রে ঘটনার কোনও প্রত্যক্ষদর্শীও নেই বলে জানিয়েছিলেন আইনজীবীরা।

কিন্তু আচমকা দুলানির উদয়ে পুরো হিসেব কি পাল্টাবে?