মেইন ম্যেনু

এই ভাবে মোবাইল ব্যবহার করলে অল্প বয়সেই এমন রূপ হতে পারে আপনার!

দীর্ঘ সময় ধরে একটানা হাতে ধরা ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ইউজারদের মুখের চামড়া কুচকে দিতে পারে। এমনকি ঘাড় ব্যাথায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকাও বেশি থাকে।

মোবাইল ফোন আর ট্যাবলেটসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট অতিরিক্ত ব্যবহারে ‘টেক নেক’ হতে পারে। যা বুড়ো হওয়ার প্রথম লক্ষণগুলোর দিকে নিয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মেদের সঙ্গে চামড়া ঝুলে পড়া, চোয়ালের হাড় নেমে যাওয়া, গলায় ভাঁজ পড়া, গভীর ভাবে মুখের সৌন্দর্যকে প্রভাবিত করে ভ্রূকুটি দাগ পড়া, চোখের নিচে ফুলে যাওয়া, গলায় আনুভূমিক দাগ হওয়া- এমন সব প্রভাব ‘টেক নেক’-এর কারণে পড়ে থাকে, জানিয়েছে আইএএনএস।

ইন্টারনেট এবং মোবাইল এসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (আইএএমএআই) -এর করা সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে দেশের মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৭ কোটি ১০ লাখে পৌঁছে যাবে।এর মধ্যে ৪০ শতাংশই ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সামনের দিকে ঝুঁকে থাকা অস্থিসারদেহের ভঙ্গিগত পরিবর্তনসহ সার্ভিকাল মেরুদণ্ড, কার্ভ, লিগামেন্ট, রগ আর পেশীতে পরিবর্তন ঘটায়।

ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, মানুষ তাদের ঘাড়ের হাড় আর চামড়ায় কী ক্ষতি করছে উপলব্ধি করতে পারে না,মানুষদের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট অতিরিক্ত ব্যবহার না করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এমনকি, ডাক্তারদের সতর্কবার্তা, স্মার্টফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ঘাড়ের পেশী সংকুচিত হয়ে আসতে পারে। ঘাড়ের পেশী সংকোচন ছাড়াও এটা চামড়ায় ‘চামড়ায় টান’ বৃদ্ধি করে। অবশেষে, ফলাফল চামড়া ঝুলে যায়, ডাবল চিবুক, ম্যারিওনেট দাগ আর চোয়াল ঝুলে যাওয়া হয়। এসব লক্ষণকে চিকিৎসাবিদ্যার ভাষায় তিনি এক সঙ্গে ‘স্মার্টফোন ফেইস’ নাম দিয়েছেন।