মেইন ম্যেনু

এই সংবাদ জানার পর হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠানোর সাহস পাবেন না

হোয়াটস অ্যাপ নিঃসন্দেহে এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠানো সম্পূর্ণ নিরাপদ, এত কাল এমনটাই ভেবে এসেছেন আপনি। তা হলে এ বার জানুন, ভুল ভেবেছেন এত দিন। হোয়াটস অ্যাপে আপনার গোপনীয়তা আদৌ সুরক্ষিত নয়।

ব্যাপারটা আদপে কী? বেশ কিছু দিন হল হোয়াটস অ্যাপে ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’ ফিচারটি চালু হয়েছে। কোনও মেসেজকে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্ট করে নেওয়ার অর্থ, সেই মেসেজ প্রেরক এবং গ্রাহক ছাড়া আর কেউ পড়তে পারবেন না। এমনকী মেসেজিং অ্যাপ কর্তৃপক্ষের পক্ষেও সেই মেসেজে কী রয়েছে, তা জানা সম্ভব নয়।

গ্রাহকদের মেসেজের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এই সুবিধা যে কোনও মেসেজিং অ্যাপে থাকা অত্যন্ত জরুরি। হোয়াটস অ্যাপেও তেমনটা রয়েছে, এটাই কর্তৃপক্ষের দাবি। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি সিকিউরিটি রিসার্চ টিম সুনির্দিষ্ট তথ্য সহকারে প্রমাণ করে দিয়েছে, এই দাবি ভুল।

গবেষকদলের প্রধান টোবিয়াস বোল্টার বলছেন, হোয়াটস অ্যাপ কর্তৃপক্ষ চাইলেই এই অ্যাপে পাঠানো যে কোনও মেসেজ পড়তে পারে। শুধু তা-ই নয়, যে সিকিউরিটি এজেন্সি, এমনকী কোনও ব্যক্তিও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করলে পড়ে ফেলতে পারে হোয়াটস অ্যাপে পাঠানো মেসেজ কর্তৃপক্ষ।

শুধু হোয়াটস অ্যাপ নয়, এই বিপদের আশঙ্কা রয়েছে ফেসবুক মেসেঞ্জারেও। মেসেঞ্জারে পাঠানো মেসেজেরও কোনও গোপনীয়তা নেই বলে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, হোয়াটস অ্যাপ বর্তমানে ফেসবুকেরই মালিকানাধীন।
এমনকী হোয়াটস অ্যাপ এবং ফেসবুকে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মেসেজ পাঠিয়ে দেওয়াও সম্ভব বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।

হোয়াটস অ্যাপের জনপ্রিয়তা এই অ্যাপের সুরক্ষাজনিত ত্রুটিটিকে এত দিন ঢেকে রেখেছিল। এ বার সেই ত্রুটি সামনে আসার পরেই তথ্যপ্রযুক্তি জগতে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। তবে এই বিষয়ে হোয়াটস অ্যাপ কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। এবেলা