মেইন ম্যেনু

একজন সৎ ও সাহসী পুলিশ লিটন সুতার

এক পুলিশের ‘পুলিশি বুদ্ধি’ এবং সাহসিকতায় ধরা খেলো মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও তিনি প্রমাণ দিয়েছিলেন নিজের সততার। এ জন্য পদস্থনের কাছে পুরস্কৃতও হোন তিনি। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত এই পুলিশ সদস্যের নাম শ্রী লিটন সুতার।

ডিএমপির উপ-কমিশনার মারুফ হাসান সরকার জানান, সোমবার রাতে লিটন তার ভাইয়ের বাসা থেকে কর্মস্থলে আসার পথে বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকায় এক ব্যক্তিকে কালো ব্যাগ হাতে দেখে সন্দেহ করেন। নিজের পরিচয় দিয়ে তার সাথে কথাবার্তার এক পর্যায়ে লিটনের সন্দেহ হলে ওই ব্যক্তির ব্যাগ তল্লাশী করে ফেনসিডিল দেখতে পান। তখন জুয়েল পালানোর চেষ্টা করলে লিটন সুতার তাকে ঝাপটে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ফেনসিডিলসহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে।

মারুফ হাসান জানান, কনস্টেবল শ্রী লিটন সুতার গত ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর শেরাটন মোড়ে রাস্তার পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার মূল্যমানের পে-অর্ডার ও মূল্যবান কাগজপত্র পেয়ে এগুলোর মালিক সামিট কমিউনিকেশনস্ লিমিটেডকে ফেরত দেন। তার এই সততার জন্য ডিএমপির কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া তাকে পুরস্কৃত করেন।