মেইন ম্যেনু

একজিমার সমস্যা থাকলে বাদ দিতে হবে এই খাবারগুলো

যদি আপনি একজিমায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার খাবার-দাবারের প্রতি একটু বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ কিছু খাবার আছে যেগুলো একজিমার সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলে। একজিমার সমস্যায় কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে জেনে নিই চলুন।

১। দুগ্ধজাত খাবার

বাণিজ্যিকভাবে উৎপন্ন দুগ্ধজাত খাবার যেমন- পাস্তুরিত দুধ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া অপাস্তুরিত দুধের প্রোটিন ক্যাসেইন এর প্রতি সংবেদনশীলদের একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

২। সয়া পণ্য

সয়া পণ্য যেমন- সয়া দুধ, টফু ইত্যাদি একজিমার সাথে সম্পর্কিত। আপনার সয়া পণ্যে অ্যালার্জি আছে কিনা তা পরীক্ষা করে বলে দিতে পারবেন ডারমাটোলজিস্ট।

৩। গ্লুটেন

গম, রাই শস্য ও বার্লিতে গ্লুটেন থাকে। যারা ইতিমধ্যেই একজিমার সমস্যায় ভুগছেন তাদের সমস্যা আরো বৃদ্ধি করে। তাই একজিমার সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের গ্লুটেনমুক্ত খাদ্যশস্য খাওয়া উচিৎ।

৪। এসিডিক খাদ্য

যদি এসিডিক খাবারের ক্ষেত্রে আপনি তেমন সংবেদনশীল নাও হন কিন্তু আপনার ত্বকে যদি প্রদাহ হয় তাহলে এসিডিক ফল যেমন- সাইট্রাস ফল, আনারস, স্ট্রবেরি এবং টমেটো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি করে।

৫। ডিম

অনেক মানুষের ক্ষেত্রেই ডিম একজিমার সমস্যাকে বৃদ্ধি করে। যেহেতু বেক করা খাবারের প্রধান অংশ হচ্ছে ডিম তাই বেকারি পণ্য এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

৬। ফুড প্রিজারভেটিভ

প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাদ্যে প্রিজারভেটিভ এবং কৃত্রিম রঙ ও গন্ধ যোগ করা হয় যা একজিমা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাদ্যে উন্নত গন্ধের জন্য মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ( MSG) যুক্ত করা হয় যা প্রদাহ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। এছাড়াও খাদ্যে রঙ সৃষ্টির জন্য টারট্রাজাইন ব্যবহার করা হয়, সোডিয়াম বেঞ্জোয়েট, সোডিয়াম গ্লুটামেট (লবণ), এবং সালফিটেস (ফলের প্রিজারভেটিভ)নামক এডিটিভস যুক্ত করা হয় প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে যা একজিমার সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলে।

৭। নাইটশেড ভেজিটেবল

নাইটশেড পরিবারের সবজি যেমন- মরিচ, মসলা, বেগুন, আলু, তামাক ইত্যাদি খাবারগুলো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কেচাপ ও পাস্তা সস অনেক শিশুর প্রিয় খাবার যা এক্সিমা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৮। বাদাম

চিনাবাদাম, আখরোট, কাজুবাদাম ইত্যাদি গাছবাদামগুলো একজিমার সমস্যা বৃদ্ধি করে। যাদের একজিমার সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে বাদাম খাওয়া এড়িয়ে যেতে হবে।



« (পূর্বের সংবাদ)