মেইন ম্যেনু

একটি নারিকেলই পারে ভাগ্য ফেরাতে

হিন্দু উপাসনায় নারিকেল এক অপরিহার্য বস্তু। পূর্ণ ঘটের উপরে ডাব স্থাপন না করলে কোনও পূজাই সম্পন্ন হয় না। সমাজ-নৃতাত্ত্বিকদের মতে, পূর্ণ ঘট ও ডাব একত্রে এক বিশেষ প্রজনন-চিহ্ন, যা সভ্যতার আদিকাল থেকে মানুষের কাছে উপাস্য বলে বিবেচিত। অন্যান্য সংস্কৃতিতে নারকেল বা ডাবের এই ব্যবহার আজ আর দৃষ্ট নয়। কিন্তু হিন্দু সংস্কৃতিতে ডাব বা নারিকেল আজও বিপুল গুরুত্ব পেয়ে থাকে।

পূজার্চনা ছাড়াও জ্যোতিষ বিশেষ গুরুত্ব দেয় নারিকেলকে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, নারিকেল যে কোনও মানুষকে দুর্ভাগ্য থেকে রক্ষা করে। জেনে নেওয়া যেতে পারে ঠিক কোন কোন ক্ষেত্রে নারিকেলকে শুভকারী বলে মনে করে ভারতীয় জ্যোতিষ?

• অশুভ দৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে প্রতি মঙ্গলবার আধ মিটার লাল কাপড় দিয়ে একটি নারিকেলকে মুড়ে কোনও ব্যক্তির চারপাশে ঘুরিয়ে নিতে হয়, তাতেই ওই ব্যক্তি অশুভ নজর থেকে রক্ষা পান।

• আর্থিক সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে প্রতি মঙ্গলবার হনুমান মন্দিরে একটি নারিকেল নিয়ে যাওয়া বিধেয়। সেখানে হনুমান মূর্তির পা থেকে সিঁদুর নিয়ে সেই নারিকেল স্বস্তিকা চিহ্ন আঁকতে হবে। সেই সঙ্গে মন্দিরে বসে হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে হবে। এমনটা ৮ সপ্তাহ করা বিধেয়।

• শনিগ্রহের কোপ থেকে রক্ষা পেতে প্রতি শনিবার একটা নারিকেল গঙ্গাজলে ডুবিয়ে ‘ওঁ রামদূতায়ঃ নমঃ’ এই মন্ত্র ৭ বার উচ্চারণ করতে হবে। এতে শ্রী হনুমানের প্রসাদপ্রাপ্ত হয়ে শনির কোপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

• কালসর্প দোষ থেকে রক্ষা পেতে গেলে একটি শুকনো নারিকেল এবং কম্বল কোনও দরিদ্র ব্যক্তিকে দান করা বিধেয়।