মেইন ম্যেনু

একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন

৬ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৪ হাজার ১৪৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ১৪১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২ হাজার ৬৬১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ঢাকা পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ঢাকা শহরের এলাকায় আরও ৮২টি ডিস্ট্রিক মিটারিং এরিয়া প্রতিষ্ঠা করা এবং ঢাকা ওয়াসার সক্ষমতা বৃদ্ধি করে ঢাকা নগরবাসীকে নির্ভরযোগ্য সার্বক্ষণিক সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন সাধন করা হবে। ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে প্রথমবারের মতো ঋণ পাওয়া যাচ্ছে। এটা ঐতিহাসিক বিষয়। প্রকল্পটির মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীতে সার্বক্ষণিক পানি সরবরাহ ও ঢাকা ওয়াসার সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। এজন্য ঢাকা ওয়াসার ৭টি জোনে পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ ও ডিষ্ট্রিক্ট মনিটরিং এরিয়াা প্রতিষ্ঠা করা হবে। স্বল্প আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীর জন্য সার্বক্ষণিক পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে বিধায় অবৈধ পানির লাইন কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

জানা গেছে, মোট ব্যয়ের মধ্যে দাতা সংস্থা এডিবির কাছ থেকে ২ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা পাওয়া যাবে। বাকী ১ হাজার ৩৭ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব অর্থায়ণ থেকে বরাদ্দ দেয়া হবে। প্রকল্পের কাজ চলতি বছর থেকে ২০২০ সাল নাগাদ শেষ হবে।

একনেকে অনুমোদন পেলে স্থানীয় সরকার বিভাগ এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাবে। এর অধিনে লাইন স্থাপন ছাড়াও ঢাকা শহরে ৮২টি ডিষ্ট্রিক্ট মনিটরিং এরিয়া স্থাপন করা, ৩০০টি ক্লোরিনেটর যন্ত্রপাতি কেনা হবে।

অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা সদরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ প্রকল্প, এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৮৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ডেসকো এলাকায় বিদ্যমান ৩৩ কেভি ওভারহেড লাইনকে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলে রূপান্তর, ক্ষমতা বর্ধন এবং স্থাপন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

ডেসকোর উত্তরা ও বসুন্ধরা ১৩২/৩৩/ ১১ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্রের ক্ষমতা বর্ধন ও পুনর্বাসন প্রকল্প, ২৫১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজএ্যাবিলিটিজ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫০ কোটি ৬ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভৌত সুবিধাদি ও গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব তারিক-উল-ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল ইসলাম এবং আইএমইডির সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।



« (পূর্বের সংবাদ)