মেইন ম্যেনু

একবার এরা ঢোকে একবার তারা, ইসি দিশেহারা

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়। কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজের রুমে ঢুকে তাকে পৌর নির্বাচন নিয়ে যত অভিযোগ সাফ জানিয়ে দিলেন বিএনপির প্রতিনিধিরা। ওদিকে মুখিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরাও। এই বেরোতে দেরি, তারাও পাল্টা অভিযোগ জানাবেন শাহ নেওয়াজকে। এরা ঢুকছেন তো ওরা বেরোচ্ছেন। ওরা বেরোচ্ছেন তো এরা ঢুকছেন। মাঝখানে ভিমড়ি খাওয়ার জোগাড় নির্বাচন কমিশনারসহ ইসি কর্মকর্তাদের।

রুমে ঢুকে শুধু অভিযোগ জানাচ্ছেন তাই-ই নয়, বসে চা খেতেও দেখা যায় দু’দলের নেতাদের। আবার কমিশনার শাহ নেওয়াজের রুমে কেউ ‘চান্স’ না পেলে ঢুকে পড়ছেন আরেক কমিশনার জাবেদ আলীর রুমে। মোদ্দা কথা, ইসি কার্যালয় সরব দেশের প্রধান এই দুই দলের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে। অভিযোগ খণ্ডনে।

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল থেকে অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনে অবস্থান করছে বিএনপি। আর বিএনপির অভিযোগ খণ্ডানোর জন্য অবস্থান করছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের টিম। বেশ কয়েকবার দুই দলের নেতাদের ইসির বিভিন্ন কর্মকর্তার রুমে একসঙ্গে অবস্থান করতেও দেখা গেছে। দুই টিম কমিশনারদের সঙ্গে কথা বলছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও জানাচ্ছেন সর্বশেষ পরিস্থিতি।

নির্বাচন কমিশনারও দুই দলের প্রতিনিধিদের ভাগাভাগি করে সময় দিচ্ছেন। আব্দুল মোবারক ও জাবেদ আলী আওয়ামী লীগকে সময় দিলে শাহ নেওয়াজ ও আবু হাফিজ বিএনপিকে সময় দিচ্ছেন। এরপর আবার বদল।

তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কোনো দলের প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এ কারণে কমিশনাররা দুই দলের অভিযোগ শুনে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছেন। জানা যায়, বিএনপি প্রতিনিধি দল সচিবের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাদের ওয়েটিং রুমে বসিয়ে রেখে দেখা করেননি সচিব।

প্রতিনিধি দলটি চার কমিশনারের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে দেখা করে তাদের অভিযোগ জানাচ্ছেন। দুই দলের অবস্থানের কারণে সকাল থেকে নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিক প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের অবস্থা এমন, দু’দলকে সামলাতেই ভিমড়ি খাচ্ছি, সাংবাদিক সামলাবো কখন!-বাংলামেইল