মেইন ম্যেনু

একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে বাণিজ্যের গ্রহণযোগ্যতা কতটা?

বাংলাদেশে বিশেষ কোনো দিবস এলেই সেটিকে ঘিরে ইদানিং অনেক বাণিজ্যিক কার্যক্রম দেখা যায়। যেমন একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে নানান ফ্যাশন হাউজ ভরে গেছে সাদা কালো রঙের শাড়ি আর পাঞ্জাবী দিয়ে।

অ আ ক খ লেখা পোশাক চালু হয়েছে বেশ ক’বছর হলো। আর মানুষ এখন ঘটা করে সেগুলো পড়ে ফ্যাশন করছে বলে মনে হয়।

শোক দিবসের বদলে একুশে ফেব্রুয়ারি আজকাল একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে কিনা ইদানিং এ প্রশ্ন করছেন অনেকেই। একটি শোক দিবসকে ঘিরে বাণিজ্যের গ্রহণযোগ্যতা কতটা?

অনন্য প্রকাশনীর প্রকাশক ও ফ্যাশন হাউজ অন্যমেলার স্বত্বাধীকারি মাজহারুল ইসলাম বিবিসি-কে বলেন, এটাকে উৎসব হিসেবে পালন করা হচ্ছে তাতে তিনি দোষের কিছু দেখেন না। তার কাছে এটা শোক দিবস নয়, অর্জনের দিবস।

মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘এটা আমাদের বাঙালির একটা অহঙ্কার। আমাদের দেশের ভাষা সৈনিকরা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন। আমরা লড়াই করেছি, জিতেছি। আমরা নিজেদের ভাষায় বাংলা ভাষায় কথা বলছি এটা আমাদের অহঙ্কার। এটাকে শোকের কোনো বিষয় আমি মনে করিনা।’

‘এ দিবসকে কেন্দ্র করে এ দিনটাকে স্মরণ করার জন্য যদি কেউ পোশাক পড়ে পালন করে সেটা খারাপের কিছু নয়’, বলেন মাজহারুল ইসলাম।

তবে ইসলাম বলেন, ‘যদি একুশের চেতনাকে ধারণ না করে শুধু সাদা-কালো কাপড় বা একুশের ডিজাইনসহ কোনো পোশাক পড়ে কেউ ঘুরে বেড়ায় সেটা খারাপের। নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধারণ করে দেশীয় পোশাক পড়ে এ উৎসব পালন করাকে আমি খারাপ বলি না।’

‘আর আমার চোখে এটি শোকের দিন নয়, এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আমাদের অর্জন, আমাদের আনন্দের দিন’, বলেন মাজহারুল ইসলাম।

সূত্র: বিবিসি বাংলা