মেইন ম্যেনু

এক দিকে ঘুর্ণিঝড়, অন্য দিকে পানিতে ভেসে আসা কুমির আতঙ্কে গ্রামবাসী!

ঘুর্ণিঝড়ের দাপটে কাঁপছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। প্লাবিত হয়েছে রাজ্যে দিশেহারা উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া-অশোকনগর এলাকা। তারমধ্যেই এবার কুমির আতঙ্কে কাঁপছে গোটা এলাকা৷

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকায় নাকি চার-চারটি কুমির ঢুকে পড়েছে৷ অনেকে কুমির নিজের চোখে দেখেছেন বলেও দাবি করছেন৷

হাবড়ার বাণীপুর এলাকা সংলগ্ন যসুর, পূর্ণবাছার, নতুনহাট ও বামিহাটি, এই কয়েকটি গ্রামেই ছড়িয়েছে কুমির আতঙ্ক৷ স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ইছামতী ও যমুনাতে জল বাড়ার কারণে প্লাবিত হয়েছে একাধিক এলাকা৷

প্লাবিত হয়েছে যমুনা থেকে বেরিয়ে আসা মগরা খালও৷ আর সেই খাল দিয়েই না কি এলাকায় ঢুকে পড়েছে চারটি পূর্ণবয়স্ক কুমির৷চার দিন আগে কুমির ঢুকে পড়ার ঘটনায় গ্রামগুলিতে স্থানীয় ক্লাবগুলির তরফে মাইকিং করা হয় বলেও জানা গিয়েছে৷

ঘটনার খবর জানতে পারার পরই বন দফতরের কর্মীরাদের এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন৷ কিন্তু কোনও কুমিরের দেখা মেলেনি৷ বন দফতরের বক্তব্য, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷

জেলা মুখ্য বন আধিকারিক নিতাইকুমার সাহা বলেন, কুমির ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া মাত্রই আমরা কয়েক জন আধিকারিককে ঘটনাস্হলে পাঠিয়েছিলাম৷ কিন্তু কুমিরের কোনও হদিশ মেলেনি৷

তিনি আরও বলেন, সন্দেশখালি বা হাসনাবাদ এলাকা হলে পার্শ্ববর্তী সুন্দরবন এলাকা থেকে কুমির ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থাকতে পারে৷ কিছুদিন আগে ওই এলাকা থেকে দু’টি ডলফিন উদ্ধার হয়েছিল৷ যে এলাকার কথা বলা হচ্ছে সেখানে নোনা জল নেই৷ তাই কুমির থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ৷