মেইন ম্যেনু

এক বাড়িতেই পাওয়া গেল সব বয়সী মানুষের ৯৭টি কঙ্কাল!

এক বাড়িতেই মিলল ৯৭টি কঙ্কাল। সবই অল্পবয়সি নারী-পুরুষের। বয়স মোটামুটি ১৯ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। বয়স্ক মানুষের কঙ্কাল নেই একটিও। যে বাড়িতে কঙ্কালগুলি মিলেছে, সেটি খুবই ছোট। মাত্র ২১০ স্কোয়ার ফুট। বড় জোর একটা স্কোয়াশ কোর্টের মতো। প্রত্নতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, কঙ্কালগুলো হাজার পাঁচেক বছর আগের।

পুড়ে যাওয়া একটি ছোট্ট বাড়ির ভিতরে ঢুকতেই দেখা গেল মেঝেয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই কঙ্কালগুলো। উত্তর-পূর্ব চীনে পাঁচ হাজার বছরের পুরনো গ্রাম হামিন মঙ্ঘা। সেখানেই খননকার্যের সময় এক বাড়িতে একসঙ্গে এতগুলো কঙ্কাল দেখে চোখ কপালে ওঠে গবেষকদের। খবর এনডিটিভির।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, একটি ছোট্ট বাড়িতে একসঙ্গে কেন এতগুলো কঙ্কাল? প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, সম্ভবত কোনও মহামারী ছড়িয়ে পড়েছিল সে সময়। আর তাতেই মৃত্যু হয়েছিল এতো মানুষের। হয়তো পরিস্থিতি এমন ভয়াবহ আকার নিয়েছিল যে, মৃতদেহগুলো সৎকার করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বাড়িটিতে এনে জড়ো করে রাখা হয়েছিল। এর পরে হয়তো আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বাড়িটিতেই।

পুরাতাত্ত্বিকরা জানাচ্ছেন, এটা যে সময়ের ঘটনা, তখন লেখা আবিষ্কার হয়নি। তবে হামিন মঙ্ঘার আনাচে কানাচে খোঁড়াখুঁড়ি করে বেশ কিছু প্রাচীন নিদর্শন মিলেছে। মাটির হাঁড়ি-কলসি, মশলা পেষাই করার সরঞ্জাম ইত্যাদি। গবেষণায় ধীরে ধীরে উঠে আসছে আরও বহু তথ্য। সে সব থেকে তখনকার জীবনযাত্রার মোটামুটি পরিষ্কার একটা ছবি পাওয়া যাচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে, সেখানকার মানুষ ছোট্ট ছোট্ট বাড়িতে থাকত। চাষবাস বা শিকারের মাধ্যমে দিন গুজরান করত। তবে এক সঙ্গে এত মৃত্যুর নিশ্চিত কারণটা জানার চেষ্টা চলছে এখন।