মেইন ম্যেনু

এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে জঙ্গি নেটওয়র্কের ‘কান্ডারি’ মারজান ও মেজর জিয়া

মাস্টারমাইন্ড মেজর জাহিদ ও তামিমের মিশন শেষ হলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে জঙ্গি নেটওয়ার্কের কান্ডারি খ্যাত মেজর জিয়া ও মারজান। এ দু’জনকে গ্রেফতার করা গেলে পুরো জঙ্গি নেটওয়ার্ক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, এরা দু’জনই বিদেশী আনর্জার্তিকসন্ত্রাসীদের সাথে যুক্ত আছে। এরা পাকিস্তান আফগানিস্তান ও আরব আমিরাত ভিত্তিক একাধিক এনজিও ও ইসলামী সাহায্য সংস্থা থেকে অর্থ সহায়তা নিয়ে দেশে জঙ্গিবাদ বিস্তৃত করার অভিযোগ আছে। বিশেষ করে লস্কর -ই- তৈয়বার একাধিক নেতার সাথে এদের যোগাযোগের তথ্যও গোয়েন্দাদের কাছে আছে। এদের অবস্থান জানার জন্য পুলিশ ও গোয়েন্দারা যারপর নাই চেষ্টা করছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রগুলো দাবি করেছে।

পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) হুমায়ুন কবীর মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, আপনারা কি লিখবেন জানিানা। পুলিশ কিন্তু জঙ্গি দমনে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। একের পর এক অভিযানে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তছনছ করে দিয়েছে পুলিশ। তিনি বলেন, মারজান আর মেজর জিয়াকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। তাদেরকে ধরা পড়তেই হবে। তারা ধরা পড়বেই। তিনি বলেন, এ দু’জনকে ধরা গেলে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক অনেকটা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

সূত্র জানায়, আনসারুল্লাহ বাংলাটিম নিষিদ্ধ হওয়ার পর আনসার আল ইসলাম নামকরণ করা হয়। আনসার আল ইসলামের দন্ডমুন্ডের কর্তা তথা কান্ডারি এই মেজর জিয়া। মেজর জিয়া দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরই। মুক্তমনা ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান রাজিব থেকে শুরু করে কমপক্ষে ২০ জন ব্লগারকে হত্যা করা হয় গত ৩ বছরে যার পরিকল্পনা মেজর জিয়া নিজেই করে থাকেন বলেও গোয়েন্দাদের কাছে খবর রয়েছে। গুলশান হামলার আরেক কান্ডারি মারজান চট্টগ্রাম বিভাগের আরবি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মারজানের সাথে আন্তর্জাতি একাধিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র থাকার তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে রয়েছে। এ দুই কান্ডারিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব পুলিশ দেশের বিভিন্নস্থানে হানা দিচ্ছে। সম্ভাব্যস্থানগুলোতে হানা দিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি।