মেইন ম্যেনু

এটিই বিশ্বের সবচেয়ে ভৌতিক জঙ্গল

জঙ্গলে বেড়াতে যেতে ভালবাসেন? আদিম পৃথিবীর ঘ্রাণ মাখা সোঁদা মাটির গন্ধ নাকে আসলেই যেন চনমনে হয়ে ওঠে আপনার মন। কিন্ত ভুলেও রোমানিয়ার হোয়া বাসিউ জঙ্গলে বেড়াতে যাবেন না। এখানে বেড়াতে গেলে বুকের পাটা লাগে।

এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভৌতিক জঙ্গলের মধ্যে শীর্ষস্থানে থাকবে। এই জঙ্গলের পরিবেশ শুধু ভৌতিকই নয়, এখানের গাছগাছালিও এমন অদ্ভুতদর্শী যে দেখলেই হাড়হিম হয়ে যাবে। কেমন যেন কঙ্কালসার, একে অপরকে জড়িয়ে থাকে সব সময়।

যারা এই জঙ্গলের আশপাশেও গিয়েছেন তারা এমন কিছু ঘটনা দেখেছেন বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই জঙ্গলে একবার যে ঢোকে সে আর বেঁচে ফিরে আসে না। যারা কোনও ক্রমে ফিরে এসেছেন তারাই আচমকা শারীরিক আঘাত, বমি বমি ভাব, মাথার যন্ত্রণা, গায়ে রহস্যজনক পোড়া দাগের অভিযোগ করেছেন। অনেকে রহস্যজনক মহিলার কান্নার আওয়াজ শুনেছেন বলে দাবি করেন। কেউ রহস্যজনক অবয়ব দেখেছেন বলে দাবি করেছেন।

এই জঙ্গল ঘিরে একটি গল্প হল, বছর পাঁচ বছরের একটি বাচ্চা মেয়ে এই জঙ্গলে গিয়ে হারিয়ে যায়। পাঁচ বছর পর যখন সে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে তখন তার উচ্চতাও বাড়েনি, রহস্যজনক ভাবে একই রকম দেখতে ছিল সে। অনেকেই বলেন, এই জঙ্গলে ঘড়ির কাঁটা স্বাভাবিক সময় মেনে চলে না। কেউ বলেন এই জঙ্গলে ঢুকলে অতীতের অনেক ঘটনা মনে পড়ে যায় কিন্তু ভাগ্যক্রমে একবার এখান থেকে বেরিয়ে এলে মানুষ সব ভুলে যায়, জঙ্গলে থাকাকালীন তার সঙ্গে কী কী হয়েছে। অনেকে রোমানিয়ার এই জঙ্গলে ইউএফও বা উড়ন্ত চাকি দেখারও দাবি করেছেন। সেই থেকে আড়াইশো হেক্টর বিস্তৃত এই জঙ্গলকে রোমানিয়ার বার্মুডা ট্রায়্যাঙ্গল বলা হয়।