মেইন ম্যেনু

এবার অভিবাসী নেবে অস্ট্রেলিয়া

শিশু আইলানের মৃত্যু যেন অভিবাসী ইস্যুতে পুরো পশ্চিমা বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে দিয়েছে। এই কয়দিন আগেও যারা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিজেদের দেশে প্রবেশ না করতে দেয়ার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, আইলানের মৃত্যুর পর তারা তাদের সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। কঠোর অবস্থানে থাকা দেশগুলির মধ্যে শীর্ষ স্থানে ছিল ইংল্যান্ড। আর তার পরের অবস্থানেই ছিল অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তিনি জানিয়েছেন ব্রিটেন আরও কয়েক হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আশ্রয় দেবে। এবার ক্যামেরনের সঙ্গে সুর মেলালেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট। রোববার তিনি এ ঘোষণা দেন।

অভিবাসী ইস্যুতে কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার পেছনের কারণ হিসেবে অ্যাবোট জানিয়েছেন, ‘তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসা শিশুটির ভয়াবহ ছবিটি’র কারণে তার অবস্থান বদলেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপের জন্য তিনি শিগগিরেই অভিবাসনমন্ত্রী পিটার দাত্তনকে জেনেভায় পাঠাচ্ছেন বলেও জানিয়েছে অ্যাবট।

আরো অভিবাসনপ্রত্যাশী নেয়ার ঘোষণা দিলেও ঠিক কতজনকে গ্রহণ করা হবে সে বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানাননি অ্যাবট। তবে তিনি জানিয়েছেন, গত বছর সিরিয়া ও ইরাকের চার হাজার চারশ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আশ্রয় দিয়েছে অস্টেলিয়া। তবে বেশি সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী গ্রহণ মানে এই নয় যে , অস্ট্রেলিয়ার সব মিলিয়ে বছরে ১৩ হাজার ৭৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে গ্রহণ করার যে কথা ছিল তার থেকে ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ‘ ইউএনএইচসিআরে আমাদের যে বলিষ্ঠ অবদান রয়েছে তার অংশ হিসেবে আমরা এই অঞ্চল থেকে আরও বেশি লোক নেয়ার প্রস্তাব করছি। যেসব পরিবার, নারী ও শিশু বিশেষ করে নিপীড়িত সংখ্যালঘু যারা সিরিয়া ও ইরাকের প্রতিবেশিদের শরণার্থি শিবিরগুলিতে রয়েছে তাদের ওপরই আমাদের মূল দৃষ্টি থাকবে।’