মেইন ম্যেনু

এবার ইডেনের পাশেই বিক্রি হচ্ছে সেক্স ডল, মিডিয়া জুড়ে তোলপাড়!

কোন কিছুতেই যেন প্রতিবন্ধকতা থামছে না,একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তবুও যেন কতৃপক্ষ অসহায়,এই ক্যান্সার যে গোটা সমাজে ঢুকে পড়ছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা,দিব্য চক্রবর্তীর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরো একটি দুঃসংবাদ পাওয়া গেলো,দিব্য বাবুর চেলারা যে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সেটার আবারো প্রমাণ মিললো।

গোটা দেশে যখন এই সেক্স ডল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হলো তখন এটা নিয়ে কেনইবা তরুন তরুনীদের এত মাতামাতি সেটা নিয়ে পরে আলোচনা করবো তবে এই মুহুর্তে এই বিষয়টি নিয়ে যে প্রশাসনের সবাই ক্ষেপে আছেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা. দেশ এবং বিদেশের সকল ক্রিড়ামোদীর কাছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম একটি জনপ্রিয় নাম,এই ইডেনের পাস দিয়েই আগে তেমন কোন দোকান গড়ে ওঠতে দেয়নি সিটি কর্পোরেশন,তবে বিগত বছর থেকে কর্পোরেশনের আয় বাড়ানোর জন্য ইডেনের পাস দিয়ে কিছু খেলাঘর বসার অনুমতি দিয়েছিল কতৃপক্ষ।

বেশ কিছুদিন থেকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ আসতে থাকে গীতা ব্যানার্জির স্বত্বাধিকারী গীতা স্টোরে সেক্স ডল বিক্রি হচ্ছে,শুরুতেই কলকাতা পুলিশ কতৃপক্ষ বিষয়টি উড়িয়ে দিলেও এখন বেশ জোর ভাবেই নিয়েছেন. আজ সকালে এক নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রেক্ষিতে ইডেনের আশেপাশের দোকানে অভিযানে নামে পুলিশ,এই অভিযানে গীতা স্টোর সহ অনেকে দোকানেই মিললো এই অবৈধ সেক্স ডল,এক জরুরী ঘোষনা দিয়ে ইডেনের আশেপাশের সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আটক করা হয়েছে গীতা স্টোরের ম্যানেজার দিলীপ সহ বেশ কয়েকজনকে. আশেপাশের বেশকিছু দোকানের মালিক ইন্ডিয়া টুডে কে জানান,গীতা ব্যানার্জি একজন মহিলা হয়ে ক্ষমতায় অপব্যবহার করে দীর্ঘ দিন এই অবৈধ জিনিস বিক্রি করে আসছে,গোপাল হালদার নামের এক ব্যাবসায়ী বলেন,আমাদের বিক্রিতে ভাটা পড়লেও প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এই কয়েকটি দোকানে অবৈধ জিনিস কেনার জন্য তরুন তরুনীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে।

এই ব্যাপারে ইন্ডিয়া টুডের কলকাতার প্রতিনিধি রমেশ মুখার্জী কয়েকদফা গীতা ব্যানার্জির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকাই কোন বক্তব্যে নেওয়া সম্ভব হয়নি. কলকাতার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন,অতিদ্রুত তদন্ত করে দোষী যেইহোক তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।কোন কিছুতেই যেন প্রতিবন্ধকতা থামছে না,একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তবুও যেন কতৃপক্ষ অসহায়,এই ক্যান্সার যে গোটা সমাজে ঢুকে পড়ছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

দিব্য চক্রবর্তীর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরো একটি দুঃসংবাদ পাওয়া গেলো,দিব্য বাবুর চেলারা যে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সেটার আবারো প্রমাণ মিললো. গোটা দেশে যখন এই সেক্স ডল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হলো তখন এটা নিয়ে কেনইবা তরুন তরুনীদের এত মাতামাতি সেটা নিয়ে পরে আলোচনা করবো তবে এই মুহুর্তে এই বিষয়টি নিয়ে যে প্রশাসনের সবাই ক্ষেপে আছেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

দেশ এবং বিদেশের সকল ক্রিড়ামোদীর কাছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম একটি জনপ্রিয় নাম,এই ইডেনের পাস দিয়েই আগে তেমন কোন দোকান গড়ে ওঠতে দেয়নি সিটি কর্পোরেশন,তবে বিগত বছর থেকে কর্পোরেশনের আয় বাড়ানোর জন্য ইডেনের পাস দিয়ে কিছু খেলাঘর বসার অনুমতি দিয়েছিল কতৃপক্ষ. বেশ কিছুদিন থেকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ আসতে থাকে গীতা ব্যানার্জির স্বত্বাধিকারী গীতা স্টোরে সেক্স ডল বিক্রি হচ্ছে,শুরুতেই কলকাতা পুলিশ কতৃপক্ষ বিষয়টি উড়িয়ে দিলেও এখন বেশ জোর ভাবেই নিয়েছেন।

আজ সকালে এক নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রেক্ষিতে ইডেনের আশেপাশের দোকানে অভিযানে নামে পুলিশ,এই অভিযানে গীতা স্টোর সহ অনেকে দোকানেই মিললো এই অবৈধ সেক্স ডল,এক জরুরী ঘোষনা দিয়ে ইডেনের আশেপাশের সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আটক করা হয়েছে গীতা স্টোরের ম্যানেজার দিলীপ সহ বেশ কয়েকজনকে. আশেপাশের বেশকিছু দোকানের মালিক ইন্ডিয়া টুডে কে জানান।

গীতা ব্যানার্জি একজন মহিলা হয়ে ক্ষমতায় অপব্যবহার করে দীর্ঘ দিন এই অবৈধ জিনিস বিক্রি করে আসছে,গোপাল হালদার নামের এক ব্যাবসায়ী বলেন,আমাদের বিক্রিতে ভাটা পড়লেও প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এই কয়েকটি দোকানে অবৈধ জিনিস কেনার জন্য তরুন তরুনীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে. এই ব্যাপারে ইন্ডিয়া টুডের কলকাতার প্রতিনিধি রমেশ মুখার্জী কয়েকদফা গীতা ব্যানার্জির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকাই কোন বক্তব্যে নেওয়া সম্ভব হয়নি. কলকাতার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন,অতিদ্রুত তদন্ত করে দোষী যেইহোক তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।