মেইন ম্যেনু

এবার তৈরী হচ্ছে রাখাল রোবট

এবার তৈরী করা হচ্ছে রাখাল রোবট। অস্ট্রেলিয়ার একজন অধ্যাপক এমন একটি রোবট বানাচ্ছেন, যা মাঠে চরে বেড়ানো গবাদিপশুর ওপর নজর রাখতে পারবে।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিকসের অধ্যাপক সালাহ সুকারিয়েহ্ মনে করেন, রাখালদেরও বয়স হয়, সামর্থ্য কমে। এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত সমাধান হতে পারে রোবট।

অস্ট্রেলিয়ান ফার্ম ইনস্টিটিউট বলছে, দেশটিতে কৃষকদের গড় বয়স ৫২ বছর।

সুকারিয়েহ্ যে রোবট বানাচ্ছেন, তাতে চারটি চাকা লাগানো। চলবে বিদ্যুৎ ও সৌরশক্তিতে। মাঠের চারপাশে ঘুরবে এবং ক্যামেরার সাহায্যে পশুদের ওপর নজর রাখবে। এ ছাড়া রোবটটি থার্মাল সেন্সর ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। এভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জানতে পারবে কোনো পশু খুঁড়িয়ে চলছে কি না। গায়ে লাগানো থাকবে রেডিও ট্যাগ। এতে এদের শরীরে তাপমাত্রার তারতম্য হলেই ধরা পড়বে।

মাঠের আয়তন, ঘাসের অবস্থা ও রঙের ব্যাপারে যাবতীয় তথ্যও সংরক্ষণ করবে ওই রোবট রাখাল। ফলে খামারমালিক বুঝতে পারবেন, কখন পশুগুলোকে মাঠের কোন জায়গায় পাঠাতে হবে। আর এই রোবটকে চালানোর জন্য কোনো মানুষের দরকার নেই। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে। কোনো পশুর যত্ন নেওয়ার জন্য মানুষের প্রয়োজন হলে খামারমালিকের কাছে পৌঁছে যাবে সেই বার্তা।

অধ্যাপক সুকারিয়েহ্ চলতি বছরের শেষের দিকে এই রোবটের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরুর পরিকল্পনা করছেন। এ ধরনের রোবট নিয়ে খামারমালিকেরাও আশাবাদী। কারণ, এ রকম যন্ত্রমানব ২৪ ঘণ্টাই পশুদের সঙ্গ দিতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার খামারমালিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সহসভাপতি মাইকেল কেলসি বলেন, এমন রোবট চোর ধরতে সাহায্য করবে। গৃহপালিত পশু দেখাশোনার জন্য দূরনিয়ন্ত্রিত উড়ন্ত যান বা ড্রোনের ব্যবহার ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।