মেইন ম্যেনু

এবার দূর্গাৎসবে রেকর্ড করেছে ঘাটাইল উপজেলা!

ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে শুরু হয়েছে শারদীয় দূর্গাৎসবের প্রস্তুতি। সনাতন সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপুজায় এবার রেকর্ড করেছে ঘাটাইল উপজেলা। এবারই প্রথম ঘাটাইলে ৭৪টি পূজার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে ।

গত বছর ঘাটাইলে পূজার সংখ্যা ছিল ৫৪টি। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি মন্ডপে এখন চলছে প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি প্যান্ডেল তৈরির কাজ। একজন কারিগর একসাথে একাধিক মন্দিরে কাজ ধরায় তাদের দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে।

এ বছর ঘাটাইল উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ৭৪টি মন্ডপে পূজা হচ্ছে। ১৮ অক্টোবর দেবী বোধনের মধ্য দিয়ে এ উৎসবের সূচনা হবে। ১৮ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে এবার শারদীয় দূর্গোৎসব শুরু হবে। ২২ অক্টোবর নবমী ও বিজয়া দশমী। ২৩ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে চার দিনের শারদীয় উৎসব। বিগত বছর শারদীয় উৎসব পাঁচ দিনব্যাপী হলেও এ বছর বর্ষ পঞ্জিকায় তিথি পরিবর্তনের কারনে চার দিন হবে। তিথি পরিবর্তনের কারনে একদিনেই নবমী ও দশমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট ঘাটাইল শাখার সভাপতি বিপুল চন্দ্র চন্দ জানান, বিগত বছরগুলোতে প্রশাসনের আন্তরিকতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পরার মত। তাই এ বছরও আমরা আশা করছি প্রশাসন ও সব মহলের সম্মিলিত সহযোগীতায় সুন্দরভাবে ও নির্বিঘেœ সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান উৎসব দূর্গাপূজা সম্পূন্ন করতে পারব।

প্রশাসনের সহযোগীতার প্রসঙ্গে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক প্রফেসার অধীর চন্দ্র সাহা সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, ইতোমধ্যে আমরা উপজেলা প্রশাসনের সাথে বসে ঝুঁিকপূর্ণ মন্ডপসহ উপজেলার সবকয়টি মন্দিরে আনসার ও পুলিশ মোতায়েন রাখতে বলেছি। তিনি আরো বলেন বিগত বছরগুলোতে যেমন সরকার, প্রশাসনের এবং ঘাটাইল বাসীর সহযোগীতায় সুন্দরভাবে পূজা করে আসছি এবারো যেন সেইভাবেই মায়ের পূজা শেষ করতে পারি এটাই কাম্য।