মেইন ম্যেনু

এবার ভোটের জন্য প্রাণ গেল অনাগত শিশুর

পটিয়া উপজেলার বড় উঠান ইউনিয়নের শাহ মিরপুর এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী সমর্থকদের হামলায় গুরুতর আহত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর এক সমর্থকের সন্তানসম্ভবা স্ত্রী। তবে তিনি বেঁচে গেলেও মৃত্যু হয়েছে অনাগত শিশু সন্তানের।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ব্যানার ছিঁড়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী দিদারুল আলম (নৌকা) ও বিদ্রোহী প্রার্থী শাহজাহানের (টেলিফোন) সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত ৮ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তারা হলেন- লাকি আক্তার, নুর জাহান, ফাতেমা খাতুন, আমির হোসেন, শাহজাহান, আব্দুর রহিম, আব্দুল মালেক ও আবদুস সবুর।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জুমার নামাজের পর ব্যানার ছিঁড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর একপর্যায়ে বিদ্রোহী প্রার্থী শাহজাহানের সমর্থকরা নৌকা প্রার্থীর সমর্থক আমির হোসেনকে মারতে তার ঘরে হামলা চালায়। তখন স্বামীকে বাঁচাতে ছুটে আসেন অন্ত‍ঃসত্তা ফাতেমা খাতুন।

এ সময় পাষণ্ডরা ওই অন্ত‍ঃসত্তার ওপরও হামলা করে, তার পেটে লাথিও মারে তারা। এতে গুরুতর আহত ফাতেমা খাতুনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে তিনি মৃত বাচ্চা প্রসব করেন।

কর্ণফুলী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যানার ছিঁড়া নিয়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এখনো অভিযোগ পাইনি।’

প্রসঙ্গত, কয়েক দফায় হয়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় দলমত নির্বিশেষ ১০১ জন নিহত হয়। আহত হয় আরো কয়েক শতাধিক লোক।