মেইন ম্যেনু

এবার লাইভে তরুণীদের মাদক গ্রহণ!

দিনে দিনে মাদকের মরণ ছোবলে যেমন আসক্ত হচ্ছে তরুণ-তরুণীরা, তেমনি চলছে প্রযুক্তির অপব্যবহার। ইয়াবার পর নেশার জগতে সংযোজন হয়েছে সীসা। বিশেষ করে কতিপয় মেয়ে নিজেদের স্মার্ট প্রমাণ করার মাধ্যম হিসেবে বিভিন্ন লাউঞ্জে গিয়ে পান করে সীসা। এখন তো আবার তা লাইভও করা হচ্ছে!

সহজলভ্য নেশাস্থল এবং পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া বে-হিসাবী টাকা বেসামাল করে তুলছে এ প্রজন্মকে। বাবা-মায়েরা ব্যস্ত থাকায় তেমন খবরও নেয়া হয় না সন্তানদের, আর এতেই লাগামহীন হয়ে পড়ছে কিছু তরুণ-তরুণী। হাতের কাছেই বিভিন্ন সীসা লাউঞ্জ থাকায় সেগুলোতে ডুব মারছে। অবাধে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ।

আজকাল লাউঞ্জগুলোতে সীসার ভিতরে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মাদক দ্রব্য। আর উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের জন্য খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে সীসার অন্তরালে এ মাদক। অধিকাংশ লাউঞ্জে সীসার উপাদানের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে ইয়াবার গুড়া, হেরোইন ও বিভিন্ন যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটসহ নেশাজাতীয় অনেক ট্যাবলেটের গুড়া। এছাড়াও গাঁজার বিশেষ রাসায়নিক অংশ মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাই খুব সহজেই এ নেশায় ডুবে যাচ্ছে তারা।

ইদানিং তো বিভিন্ন তরুণ-তরুণীকে সীসা পানের দৃশ্য ফেসবুক, রিং আইডিসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে লাইভ করতেও দেখা যায়। আর তা দেখে অন্যরাও উৎসাহী হয়ে একই কাজ করছে।

রিং আইডি নামক একটি মোবাইল অ্যাপসে সম্প্রতি দেখা যায়, সাবিকুন অদিতা (১১৮২২৯৬৯), সাদিয়া খান (১১৮২২৯৫৬), সানাইয়া (১১৮২৪১৩০) প্রকাশ্যে সীসা নেয়ার সময় তা লাইভে দেখানো হচ্ছে। তাদের এমন কর্মকণ্ডে চিন্তিত অভিভাবকরাও।

এ বিষয়ে আশরাফুল ইসলাম নামে এক অভিভাবকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, এই প্রজন্মের সন্তানদের নিয়ে ভয়ে আছি। আমি একদিন আমার মেয়ের ঘরে গিয়ে দেখি, সে রিং আইডিতে লাইভে একটি মেয়ের সীসা গ্রহণ দেখছে। তবে আমাকে দেখে তা সরিয়ে ফেলে। পরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করে এর ক্ষতিকারক দিকগুলো বুঝিয়েছি। বাবা-মাকে হত্যা করা সেই নেশাগ্রস্ত ঐশির কথাও তাকে বলেছি। তারপর আমার মেয়ে নিজে থেকেই সরি বলেছে। তাই প্রতিটি বাবা-মায়েরই উচিত সন্তানের কাউন্সিলিং করা।






মন্তব্য চালু নেই