মেইন ম্যেনু

এলাকার হিন্দু একটা ছেলের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করি, ও সেটা জেনে যায়

লামিয়া (ছদ্মনাম) আমার সঠিক নাম লামিয়া আক্তার দিপা, আমার বাবা একজন কলেজের শিক্ষক। আমরা তিন বোন, আমি মেঝো, আমার বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। সর্বশেষ তিন বছর ধরে একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিলো কিন্তু ওই ছেলে তেমন কোন অনুভূতি প্রকাশ করতো না যতটা আমাকে ভালোবাসে তবে আমি ওর যোগ্য না সেটা জানি।

আমি আমার এলাকার একটা academy তে প্রায় পনেরো বছর জড়িত আছি,এই academy এর সবার আল্টা মর্ডান হতে চাই,সবাই একটু অন্যরকম. আমি এদের সাথে থাকতে থাকতে একসময় এদের মতো হয়ে গেলাম, অনেক গুলো ছেলে বন্ধু ছিলো আমার।

তারা আমার বাসার আসতো আড্ডা দিতে, আমরা অনেক কাছাকাছি ছিলাম,এদের ভিতরে একজনের সাথে আমার সম্পর্ক হয়েছিলো কিন্তু আমাদের সম্পর্ক বেশী দিন স্থায়ী হয়নি। আমাদের মধ্য শুধুমাত্র মাঝে মাঝে লিপ কিস হয়েছিলো।

এরপর আমি যখন ইন্টারে পড়তাম তখন আমাদের পাশের ফ্লাটের একটা ছেলের সাথে আমার সম্পর্ক হয় কিন্তু এই ছেলেটার সাথেও আমার সম্পর্ক বেশী দিন টিকে নাই। এই ছেলেটার সাথে সম্পর্ক করার মুল উদ্দেশ্য ছিলো আগের জন কে ভুলে থাকা, এরপর ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালীন বাচ্চুর সাথে আমার সম্পর্ক হয়।

এই ছেলেটাও অনেক বিরক্তিকর ছিলো সে সবসময় আমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইতো, প্রতিদিন দেখা করতে চাইতো এবং দেখা না করলে বকাবকি করতো। আমার এসব ভালো লাগতো না এবং সবসময় ঠোঁটে কিস করতে চাইতো। আমার ব্রেস্টে হাত দিতে চাইতো, আমার গোপনাংগে হাত দিতো. আমি অনেক বাধা দিতাম কিন্তু পারতাম না,বাধা দিলে মারতো আর যা করতো সবই রিক্সার ভিতরে, এরপর 2013 সালে আমি সর্বপ্রথম ফেসবুক চালু করি।

আমার সাথে ওর ফেসবুকে add ছিলো কোন কারনে রিপ্লাই দিতে দেরী হলে গালি দিতো। আমাকে জোর করতো আমার ন্যাংটা ছবি দেবার জন্য, একদিন আমি বাধ্য হয়ে আমার ছবি পাঠিয়ে দিই, এইটাই আমার জীবনে সবচেয়ে ভুল ছিলো। এরপর ওর ব্যাবহার আরো খারাপ হতে লাগলো তাই বাধ্য হয়ে আমি ওকে ব্লক করে দিই।

এরপর থেকে সে আমাকে বিরক্ত করা শুরু করলো,এ কদিন আমার নামে ফেক আইডি খুলে আমার ন্যাংটা ছবি আপলোড করলো ফেসবুকে. এরপর আমার এলাকার আরো একটি ছেলের সাথে আমার সম্পর্ক হয় নাম সাজু। সে যখনই আমার ছবিগুলো দেখে তখন আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

এই সময়ে আমার প্রথম প্রেমিক আমারে জীবনে ফিরে আসে এবং আমাকে আবারো অফার করে কিন্তু আমি রাগ করে ফিরিয়ে দিই কিন্তু ওর সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিলো এবং আমরা শারীরিক সম্পর্ক করি। এরপর থেকেই শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে, আমাদের মাঝে একপর্যায়ে ভালোবাসার সম্পর্ক হয়, ও আমাকে অনেক ভালবাসে কিন্তু আমি বুঝিনাই. 2015 সালের শেষে আমার গানের academy এর একটি ছেলের সাথে আমি লিপ কিস করি এবং আমার এলাকার একটা হিন্দু ছেলের সাথে সেক্স করি, এটা ও জেনে যাই কিন্তু আমি জানিনা কেন আমি এমন একটা খারাপ কাজ করলাম আসলে মাথা ঠিক ছিলো না.

আমার বয়ফ্রেন্ড এটি কিছুতেই মেনে নিতে পারলো না,সে অনেক হতাশ হয়ে যাই এবং আমি তখন বুঝতে পারি আসলে আমাকে নিয়ে ও অনেক স্বপ্ন দেখেছিলো,এটা জানার পর থেকে আমি অনেক দুর্বল হয়ে যাই ওর প্রতি. আমি তখন বুঝতে পারি সত্যিকারের ভালোবাসাটা কি কিন্তু ততদিনে অনেক দেরী হয়ে গেছে,ওর সাথে আমার অনেক ঝগড়া হয়েছিলো কিন্তু যোগাযোগ বন্ধ হয়নি. ও আমাকে তিনটি শর্ত দিয়েছিলো যেটার একটি ও আমি পুরন করতে পারিনি।

প্রথম শর্ত ছিলো আমি যেন আমার মাকে সব খুলে বলি দ্বিতীয় শর্ত ছিলো আমাকে কোন ছেলের সাথে সেক্স করতে হবে ওর সামনে আর তৃতীয় শর্ত ছিলো আমি কোন ছেলের সাথে সেক্স করতে না পারলে অন্য কোন মেয়ে আনতে হবে ও আমার সামনে সেই মেয়ের সাথে সেক্স করবে কিন্তু আমি অনেক চেষ্টা করেছিলাম তবুও পারিনি। প্রতিবারই মেয়ে আনার সময় কোন না কোন সমস্যা হয়েছিলো।

আল্লাহ হয়তো চাইনি কোন ছেলে এতটা খারাপ হোক আমার জন্য তাই হয়নি. চুক্তি ছিলো ছয় মাসের ভিতরে শর্ত পূরণ করতে হবে কিন্তু আমি পারিনি,গত বছরের 31 শে ডিসেম্বর এই চুক্তিতে আমি ব্যর্থ হয়েছি এরপর থেকে সম্পূর্ণ ভাবে ব্রেকাপ হয়েছে তবুও এখনো মাঝে মাঝে মাসে একবার ফোনে কথা হয়. ও এখন আমার পরিচিত একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করছে কিন্তু আমি মানতে পারছিনা, আমি জানি যে আমি অনেক খারাপ।

আমি ওর ভালোবাসা পাবারো যোগ্য না তবুও আমি কষ্ট সহ্য করতে পারছিনা. আমি চাই আমার ঘটনা সব মেয়েই জানুক যেন পরবর্তীতে আবেগের ফাঁদে পড়ে আর কোন মেয়ে যেন এমন ভুল আর না করে। আর এই জন্যই আমার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি ভিন্ন.কম এর মাধ্যমে সকলের সাথে শেয়ার করলাম। আপনারা কেউ আমাকে খারাপ ভাববেন না। উপরের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি মেয়েই সঠিক পথে চলতে পারে এই কামনা করি