মেইন ম্যেনু

এলার্জি কমায় মাশরুম

এলার্জি এবং হাইপারসেনসিটিভিটি দুটি শব্দের প্রায় একই অর্থ, যদিও এলার্জি প্রায়ই ব্যবহৃত হয় তৎক্ষণাৎ হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশন অর্থাৎ কাল বিলম্ব না করে অতিসংবেদনশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য।

হাইপারসেনসিটিভিটিকে ইমমিউন রেসপনস্ এর কারণে টিস্যু ধ্বংসকারী হিসেবে ব্যাখ্যা দেয়া যায়। মোট চার ধরনের হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশন রয়েছে। (ক) টাইপ-১ : তৎক্ষণাৎ অথবা অ্যানাপাইলেকটিক হাইপারসেনসিটিভিটি। (খ) টাইপ-২ : সাইটোটক্সিক হাইপারসেনসিটিভিটি। (গ) টাইপ-৩ : ইমমিউন কমপ্লেক্স রিঅ্যাকশন হাইপারসেনসিটিভিটি। (ঘ) টাইপ-৪ : ডিলেইড টাইপ হাইপারসেনসিটিভিটি। মানবদেহে এলার্জি রিঅ্যাকশনে হিস্টামিন নিঃসরিত হয়ে থাকে।

হিস্টামিনের কারণে টিস্যু লাল বর্ণ ও ফোলাভাব ধারণ করে থাকে। লাল মাশরুমের বৈজ্ঞানিক নাম গ্যানোডার্মা লুসিডাম। গ্যানোডার্মা লুসিডাম ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসাবে ব্যাপকভাবে গৃহীত হচ্ছে যা এডাপটোজেন হিসেবে কাজ করে। এটির কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

গ্যানোডার্মা লুসিডাম এলার্জিক রিঅ্যাশনের হিস্টামিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। গ্যানোডার্মা লুসিডাম ধীরে ধীরে হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশনও কমিয়ে দেয়।

গ্যানোডারিক এসিড A, B, C-2 এবং D ও হিস্টামিন নিঃসরণ কমায়। অন্যদিকে গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির মাশরুমে বিদ্যমান ল্যানোস্টেন এলার্জেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। সুতরাং গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির লাল মাশরুমের ফুড সাপ্লিমেন্ট সফলতার সঙ্গে এলার্জি কমিয়ে দেয় কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই।