মেইন ম্যেনু

এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ হচ্ছে দিনাজপুরে

এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ৫০ গম্বুজবিশিষ্ট ঈদগাহ মিনার নির্মাণ করা হচ্ছে দিনাজপুরে। গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে এই ঈদগাহ মাঠে আসন্ন ঈদুল ফিতরে ৭ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যা হবে এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত।

দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম-এর পরিকল্পনায় ও জেলা পরিষদের অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধানে এই ঈদগাহ মিনারের প্রধান গম্বুজ অর্থাৎ মেহরাবের উচ্চতা হবে ৪৭ ফিট। সঙ্গে থাকবে আরো ৪৯টি গম্বুজ। ৫১৬ ফিট লম্বায় ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি গম্বুজের মাথায় বৈদ্যুতিক সংযোগ দেয়া হচ্ছে। পুরো মিনার সিরামিক্স দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকেই মিনারে আলো ঝলমল করবে।মাঠের দুই ধারে রাস্তা ও অজুর ব্যবস্থা করা হবে।

এই ঈদগাহ নির্মাণে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। ইতোমধ্যেই ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি বলেন, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ এই ঈদগাহে প্রায় ৭ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ পড়তে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন ইসলামিক দেশ থেকে মিনার ও ঈদগাহ মাঠ দেখার জন্য মুসল্লিরা দিনাজপুরে আসবেন।

আসন্ন ঈদুল ফিতরে এই ঈদগাহের নামাজ আদায়ের জন্য দেশবাসীকে আহবান জানান হুইপ।

তিনি বলেন, এটি হবে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ মাঠ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঈদগাহ সম্পর্কে অবগত আছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকিউল আলম বলেন, ইতোমধ্যেই ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। জেলা পরিষদের তহবিল থেকে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। এই ঈদগাহ মিনারকে আলোকিত ও সৌন্ধর্যমণ্ডিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।এই ঈদগাহ মিনার নির্মাণের উদ্যোক্তা হলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম।

দিনাজপুরের এই ঈদগাহে লাখো মুসল্লির আগমন উপলক্ষে শহরের আবাসিক হোটেল, রেস্ট হাউজগুলো সংস্কার ও রং করা শুরু হয়েছে।

পাঞ্জাবি, টুপি, জায়নামাজ ও তসবিহ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার ঈদে এসব দ্রব্যের বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

এই ঈদগাহ মিনারকে ঘিরে দিনাজপুরে মুসল্লিদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসব শুরু হয়েছে।