মেইন ম্যেনু

ওজন কমাতে সাহায্য করবে এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো

ওজন নিয়ে ছেলে মেয়ে উভয়ের চিন্তার শেষ নেই। এই ওজন কমানোর জন্য করছেন কত ব্যায়াম কত ডায়েট আরও কত কিছু। সময়ের কারণে অনেকেই হয়তো ব্যায়াম করতে পারছেন না। আবার ভোজন রসিকরা ডায়েটের নাম শুনলে ভয় পান। ব্যায়াম এবং ডায়েট ছাড়া কিছু কৌশলে ওজন হ্রাস করা সম্ভব। মূলত এই প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্টারিগুলো ওজন কমানোর জন্য বেশ কার্যকর।

১। লেবু পানি

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এটি পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকর। ২০০৭ সালে Journal of Nutrition এর মতে যারা নিয়মিত ভিটামিন সি গ্রহণ করেন তাদের ওজন দ্রুত কমে যারা ভিটামিন সি গ্রহণ করেন না।

২। দারুচিনি

দারুচিনি রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। এবং ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে। এর অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি প্যারাসাইটিক উপাদান রক্তে গ্লুকোজ, কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। খাবারের উপর দারুচিনি ছিটিয়ে দিন। কুসুম গরম পানিতে সমপরিমাণ মধু এবং দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৩। মধু

মধুর স্বাস্থ্য উপকারিতা কম বেশি আমরা সবাই জানি। বিশুদ্ধ মধু মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে। মধুর আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখে। প্রতিদিন এক থেকে দুই চামচ মধু সরাসরি খেতে পারেন। অথবা কুসুম গরম পানির সাথে এক চামচ মধু মিশিয়েও পান করতে পারেন।

৪। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে এনজাইম, মিনারেল এবং ভিটামিন রয়েছে যা আপনার ক্ষুধা লাগা কমিয়ে দেয় এবং খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এক গ্লাস পানিতে দুই টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করুন খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে।

৫। হলুদ

যেকোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া ওজন কমাতে সাহায্য করে হলুদ। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে। প্রতিদিনের খাবারের রান্নায় হলুদ ব্যবহার করুন। এক গ্লাস দুধে এক চামচ হলুদ মিশিয়েও পান করতে পারেন।

৬। আদা

প্রাচীন আয়ুবের্দিক এবং চীনে চিকিৎসায় আদা ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করার সাথে সাথে এটি ওজন হ্রাস করতেও সাহায্য করে। লেবু পানির সাথে আদা কুচি মিশিয়ে পান করতে পারেন। এছাড়া আদা চাও ওজন কমাতে বেশ কার্যকর।