মেইন ম্যেনু

ওজন কমানোর ৫টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি

শরীরের ওজন কমানোর জন্য অনেকেই অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন, কেউ ব্যায়াম করেন আবার কেউ সকাল বিকাল হাঁটাচলা কিংবা দৌড়াদোড়ি করেন। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য এগুলো অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু এগুলোর পাশাপাশি ওজন কমানোর কিছু বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিও আছে। খাদ্য বিশারদদের মতে, ওজন কমানোর জন্যে খাবার নিয়ন্ত্রণই আসল কথা। তবে আরো কিছু কারণ রয়েছে যাদের বিদঘুটে মনে হতে পারে। এমনই কারণ তুলে ধরেছে জার্নাল অব দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজ্যুমার রিসার্চ-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র। টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জেনে নিন কারণগুলো।

১. তাপমাত্রা কমানো: অনেকেই আছেন যারা শীতকালে রাতের বেলা কক্ষে হিটার ব্যবহার করেন। এর তামপাত্রা কিছুটা কমিয়ে রাখলে বাড়তি ওজন ঝরতে পারে। ডায়াবেটিস জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তাপমাত্রা কমলে দেহে ব্রাউন ফ্যাট জমার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। এটি বিশেষ ধরনের টিস্যু যা তাপ উৎপন্ন করে। এই ফ্যাট পুড়ে কিছুটা ওজনও হ্রাস করে।

২. দেয়ালে নীল রং করুন: বাড়ির দেয়ালে যদি নিজেই নীল রং দিতে পারেন, তবে কোমর কিছুটা সরু হতে পারে। এতে মানসিক বিষয়টি বেশি কাজ করে। যেমন, ম্যাকডোনাল্ডস বা কেএফসি’র দেয়ালে হলুদ বা কমলা বা লালের মিশ্রণ থাকে। কারণ এই রং ক্ষুধা বৃদ্ধি করে। নীল তার বিপরীতটা ঘটায়। অর্থাৎ, বাড়ির দেয়ালে নীল রং থাকলে বা খাবার প্লেট নীল হলে ক্ষুধা কমে যাবে।

৩. রোদ্র উপভোগ করুন : যদি সূর্যের খরতাপ সব সময় দেহে নিতে নেই। কিন্তু জীববিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণায় বলেছেন, যথেষ্ট পরিমাণ সূর্যের আলো দেহের ওজন কমাতে সক্ষম। ইউনিভার্সিটি অব টেনেসার নিউট্রিশন ইনস্টিটিউটের গবেষক মিখায়েল জেমেল বলেন, দেহে ভিটামিন ডি কমে গেলে ক্যালসিটোল হরমোনের ক্ষরণ ঘটে। আর এটি দেহে বেশি বেশি চর্বি জমতে সহায়তা করে।

৪. বেডরুম থেকে ডিজিটাল পর্দা দূর করা : বিছানায় শুয়ে মোবাইল, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন বন্ধ রাখলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পেডিয়াট্রিক অবেসিটি জার্নাল-এ প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যে শিশুরা রাতে বিছানায় শুয়ে ক্রমাগত মোবাইল বা ট্যাব ব্যবহার করে, তারা বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মোটা হয়ে যায়।

৫. খাওয়ার সময় হালকা সঙ্গীত : খাওয়ার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা সঙ্গীত ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে। এর কারণ হিসাবে গবেষকরা ব্যাখ্যা করে বলেন, হালকা সঙ্গীত ধীরগতিতে চাবাতে এবং কম পরিমাণ খেতে উৎসাহ দেয়। কাজেই ওজনও বাড়বে না। সূত্র: কালের কণ্ঠ