মেইন ম্যেনু

ওমরাহ শুরু: সৌদিতে পৌঁছেছে প্রায় ৬ লাখ হজযাত্রী

সৌদি আরবে গত ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ওমরাহ। চলতি মৌসুমে ওমরাহ হজের জন্য দেশটিতে পৌঁছেছেন ছয় লাখের মত হজযাত্রী। এ সংখ্যা গতবছরের তুলনায় প্রায় ১২ ভাগ কম। তবে ওমরাহ আদায়কারীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেনি সৌদি সরকার।

এদিকে বাংলাদেশিদের জন্য ওমরাহ ভিসার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে বলে সোমবার ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। ফলেে এবার ওমরাহ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশের জনগণ।

সোমবার সৌদি হজ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ মৌসুমে উমরাহ করার জন্য এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৮ জন দেশটিতে এসে পৌঁছেছে। যদিও বিদেশে সৌদি কূটনৈতিক মিশনগুলো এবার ৯ লাখ ৯০ হাজার উমরাহ ভিসা দিয়েছিল। কিন্তু এ বছর দেশটিতে ওমরাহ পালনকারীদের সংখ্যা আশানুরূপ নয়। এবার হজযাত্রীদের সংখ্যা গতবছরের তুলনায় ১২ ভাগ কম।

হজ মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ বছর উমরাহ পালনের জন্য সর্বাধিক সংখ্যক হজযাত্রী এসেছে মিশর থেকে। দেশটি থেকে সবমিলিয়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৯৭ জন এসেছে। এরপরই রয়েছে পাকিস্তান। এবার উমরাহ করতে এসেছে দেশটির ৭৭ হাজার ৪৭৬ জন হাজি। উমরাহ আদায়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির মোট উমরাহ হজযাত্রীর সংখ্যা হচ্ছে ৪৪ হাজার ৯১০ জন।

এসব ওমরাহ হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ আল বিজাবি।

এবার সৌদিতে ওমরাহ আদায়কারীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করেনি সৌদি হজ মন্ত্রণালয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর হজ আদায়কালে দুটি ভয়বহ দুর্ঘটনার কারণে ওমরাহ হজযাত্রীদের সংখ্যা এতটা কমে গেছে। সৌদি আরবে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিনায় শয়তানকে পাথর ছোড়ার সময় মিনায় পদদলিত হয়ে মারা গেছেন বিভিন্ন দেশের ২১৭৭ জন হাজি। এদের মধ্যে অন্তত ১৩৭ জন ছিলেন বাংলাদেশি। তবে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হবে বলেই ধারণা করা হয়ে থাকে।

এর আগে হজের শুরুর দিকে গত ১১ সেপ্টেম্বর মসজিদুল হারামে ক্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন আরো ১০৭ হাজি । এসব ঘটনায় সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপণার অভিযোগ ওঠেছিল যার প্রভাব পড়েছে এবার ওমরায় মৌসুমে।